মেজর লিগ সকারের ম্যাচে আজ ঘরের মাঠে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দল ন্যাশভিলের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মায়ামির প্রতিটি গোলের পেছনেই ছিল লিওনেল মেসির সক্রিয় ভূমিকা। ব্যক্তিগতভাবে একটি গোল করার পাশাপাশি দলের প্রথম গোলটিতেও তিনি দারুণ অবদান রেখেছেন। তবে জয়ের সুবাস পেয়েও শেষ মুহূর্তের ভুলে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই স্যাম সারিজের গোলে পিছিয়ে পড়ে ইন্টার মায়ামি। তবে ১৯তম মিনিটে মায়ামি সমতায় ফেরে মেসির নেওয়া একটি বাঁকানো কর্নার কিক ন্যাশভিলের ডিফেন্ডার রিড বেকার হোয়াইটিংয়ের মাথায় লেগে নিজেদের জালে জড়ালে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করে মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মেসি। ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ ম্যাচ খেলে ন্যাশভিলের বিপক্ষে এটি ছিল মেসির ১৭তম গোল।
ম্যাচ জয়ের পথে থাকলেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি মায়ামি। যোগ করা সময়ে (৯১ মিনিট) ইংলিশ স্ট্রাইকার স্যাম সারিজের গোল ন্যাশভিলকে সমতায় ফিরিয়ে পয়েন্ট নিশ্চিত করে। গোল পাওয়ার আরও সুযোগ ছিল মেসির সামনে। ৫০ মিনিটে তাঁর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং ৭৮ মিনিটে আরেকটি শট পোস্টের বাধা অতিক্রম করতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে ন্যাশভিলের ডিফেন্ডার জেইসন পালাসিওস মাথা দিয়ে মেসির একটি শট ক্লিয়ার করার পরপরই সারিজ সমতাসূচক গোলটি করেন।
এবারের এমএলএস মৌসুমে ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও ১১ পয়েন্ট হারিয়েছে মায়ামি, যা তাদের পয়েন্ট টেবিলে বেশ পিছিয়ে দিয়েছে। ইস্টার্ন কনফারেন্সে শীর্ষ দল ন্যাশভিলের সঙ্গে এখনো ৯ পয়েন্টের ব্যবধান রয়ে গেছে মেসিদের, হাতে আছে আর মাত্র ৯টি ম্যাচ। বর্তমান মৌসুমে ন্যাশভিলের বিপক্ষে চারবার মুখোমুখি হয়ে একবারও জয়ের দেখা পায়নি ইন্টার মায়ামি। এর আগে মৌসুমের শুরুতে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপ থেকেও মায়ামিকে বিদায় করেছিল ন্যাশভিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৭৮ মিনিটে আরেকটি শট লাগে পোস্টে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মায়ামি সমতায় ফেরে ম্যাচের ১৯ মিনিটে, সেখানেও ভূমিকা ছিল মেসির। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি নিজে একটি গোল করেছেন, সেটিও ছিল নজরকাড়া। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া মেসি দ্বিতীয়ার্ধে সহজ সুযোগও নষ্ট করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাতে বলটি দিক পরিবর্তন করে নিজেদের জালে জড়ায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ।
রিপোর্টার নাম: 























