Hi

০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা রাষ্ট্রপতির, জোর দিলেন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:২৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ জন দেখেছে

বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের আরও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি রাজার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং হাইকমিশনারের মাধ্যমে রাজার নিকট শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান। যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ব্রিটেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা উভয় দেশের সম্পর্ক ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশ ধারাবাহিকভাবে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বিশেষত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, কমনওয়েলথ স্কলারশিপের আওতা বাড়ানো এবং কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতেও যুক্তরাজ্যের সহায়তা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এই ধারাকে সুসংহত করতে ওয়েস্টমিনিস্টার গণতন্ত্রের আদলে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নিয়মিত যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনার সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে আরও তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

এছাড়া সভায় দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল ক্লাইমেট ডাটা বিনিময়ের উদ্যোগের বিষয়টিও উঠে আসে। আবহাওয়া ও জলবায়ু-সংক্রান্ত নির্ভুল তথ্য আদান-প্রদান কৃষি উৎপাদন ও পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিব, প্রেস সচিব, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালকসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা রাষ্ট্রপতির, জোর দিলেন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা রাষ্ট্রপতির, জোর দিলেন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর

আপডেট : ০৫:২৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের আরও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি রাজার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং হাইকমিশনারের মাধ্যমে রাজার নিকট শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান। যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ব্রিটেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা উভয় দেশের সম্পর্ক ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশ ধারাবাহিকভাবে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বিশেষত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, কমনওয়েলথ স্কলারশিপের আওতা বাড়ানো এবং কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতেও যুক্তরাজ্যের সহায়তা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এই ধারাকে সুসংহত করতে ওয়েস্টমিনিস্টার গণতন্ত্রের আদলে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নিয়মিত যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনার সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে আরও তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

এছাড়া সভায় দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল ক্লাইমেট ডাটা বিনিময়ের উদ্যোগের বিষয়টিও উঠে আসে। আবহাওয়া ও জলবায়ু-সংক্রান্ত নির্ভুল তথ্য আদান-প্রদান কৃষি উৎপাদন ও পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিব, প্রেস সচিব, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালকসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।