Hi

০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎপাদন কমছে ইলিশের: জাতীয় মাছের ভবিষ্যৎ ও আকাশচুম্বী দাম নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ জন দেখেছে

দুই দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পর এখন দেশে ইলিশের উৎপাদনে ভাটা পড়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ইলিশ আহরণ হয়েছে ৫ লাখ টন, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম। এই জাতীয় মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এর ভবিষ্যৎ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এর দাম রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ।

ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) সাবেক পরিচালক ও দীর্ঘদিনের গবেষক আনিসুর রহমান। তার মতে, বড় আকারের ইলিশের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে, যা প্রজনন প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারণ বড় মাছের ডিম থেকে বংশবিস্তার ভালো হয়, কিন্তু নদীতে বড় মাছের অভাব পরবর্তী বছরের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

বিশেষজ্ঞরা দেশের উপকূলবর্তী এলাকায় অবস্থিত তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ইলিশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, রামনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত পটুয়াখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিষখালী নদীর তীরে তালতলীতে থাকা বরিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ২০২৫ সালের জুনে ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব ফিজিক্সে’ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র ওই এলাকার মাছের প্রজনন ও টিকে থাকার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক খোরশেদ আলমের নেতৃত্বাধীন ওই গবেষণায় বলা হয়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ওই এলাকার পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া কয়লা পরিবহনের সময় জাহাজ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া এবং পোড়া কয়লার ছাই ও তরল বর্জ্য প্ল্যাঙ্কটনসমৃদ্ধ পানির ভারসাম্য নষ্ট করছে। গত তিন বছরে কেবল এই দূষণের কারণেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইলিশ আহরণ ৪৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন খোরশেদ আলম।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ক্লিন-এর প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদীও দীর্ঘদিন ধরে এই তিন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নিঃসরণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছেন। তিনি জানান, প্রকল্পগুলো স্থাপনের পর থেকেই নদীতে বর্জ্য ও গরম পানি ফেলার কারণে ইলিশের বিচরণ কমেছে। এর পাশাপাশি পদ্মাসহ অন্যান্য প্রধান নদীতে নাব্য সংকট ইলিশের স্বাভাবিক চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষক আনিসুর রহমানের ভাষ্যমতে, সাগরের নোনা জল থেকে নদীতে আসার পথে ইলিশের স্রোত ও গভীর পানির প্রয়োজন হয়, যেখানে অন্তত ১০ মিটার গভীরতা থাকা জরুরি। কিন্তু এখন বহু জায়গায় সেই গভীরতা মিলছে না।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরের জেলে পূর্ণ দাস জানান, ৩০ বছরের মাছ ধরার জীবনে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি তিনি হননি। আগে যেখানে প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৬০টি ইলিশ পেতেন, এখন জাল ফেললেও কোনো মাছ মিলছে না। একইভাবে শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, গত পাঁচ বছরে সেখানে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যার পেছনে ডুবোচর ও পানিদূষণ প্রধান কারণ।

তন্মধ্যে তেঁতুলিয়া, মেঘনা, রাবনাবাদ ও বিষখালীসহ ২০টি পয়েন্টে ইলিশের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক স্থানে পানির গভীরতা ১৮ থেকে ২০ ফুটে নেমে এসেছে, অথচ প্রজননের জন্য ৭৫ থেকে ৮০ ফুট গভীরতার প্রয়োজন। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং উপকূলজুড়ে শতাধিক স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বাধা তৈরি হওয়ায় মাছের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়াও একটি উদ্বেগের কারণ। এছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া মাছটির খাদ্যশৃঙ্খলের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে। গত বছর এক কেজি ওজনের ইলিশ যেখানে ২ হাজার ২০০ টাকায় পাওয়া যেত, এ বছর তা ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বড় ইলিশের সরবরাহ কম এবং কোথাও কোথাও ৩ কেজি ওজনের ইলিশ ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দেশে প্রায় ৭ লাখ জেলে সরাসরি ইলিশ ধরার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় জিডিপিতে এই মাছের অবদান প্রায় ১ শতাংশ। বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একাই প্রায় ৮০ শতাংশ জোগান দেয়। এমতাবস্থায় ইলিশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে বাঙালির প্রিয় এই মাছ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্পে কাল থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতির আশ্বাস পেলেন ব্যবসায়ী নেতারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাইবার সুরক্ষা আইনে ফিরছে ডিএসএর ছায়া। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চলবে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এশিয়ান গেমস / উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০ গোল হজম করে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষ্য, ইলিশের সংখ্যা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সময় একে স্রোতের বিপরীতে সাঁতরে এগোতে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অথচ শরীয়তপুরের পদ্মার প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৭০ বছর বয়সী পূর্ণ দাস ৩০ বছর ধরে পদ্মায় মাছ ধরছেন।

জনপ্রিয়

উৎপাদন কমছে ইলিশের: জাতীয় মাছের ভবিষ্যৎ ও আকাশচুম্বী দাম নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

উৎপাদন কমছে ইলিশের: জাতীয় মাছের ভবিষ্যৎ ও আকাশচুম্বী দাম নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

আপডেট : ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পর এখন দেশে ইলিশের উৎপাদনে ভাটা পড়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ইলিশ আহরণ হয়েছে ৫ লাখ টন, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম। এই জাতীয় মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এর ভবিষ্যৎ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এর দাম রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ।

ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) সাবেক পরিচালক ও দীর্ঘদিনের গবেষক আনিসুর রহমান। তার মতে, বড় আকারের ইলিশের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে, যা প্রজনন প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারণ বড় মাছের ডিম থেকে বংশবিস্তার ভালো হয়, কিন্তু নদীতে বড় মাছের অভাব পরবর্তী বছরের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

বিশেষজ্ঞরা দেশের উপকূলবর্তী এলাকায় অবস্থিত তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ইলিশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, রামনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত পটুয়াখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিষখালী নদীর তীরে তালতলীতে থাকা বরিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ২০২৫ সালের জুনে ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব ফিজিক্সে’ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র ওই এলাকার মাছের প্রজনন ও টিকে থাকার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক খোরশেদ আলমের নেতৃত্বাধীন ওই গবেষণায় বলা হয়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ওই এলাকার পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া কয়লা পরিবহনের সময় জাহাজ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া এবং পোড়া কয়লার ছাই ও তরল বর্জ্য প্ল্যাঙ্কটনসমৃদ্ধ পানির ভারসাম্য নষ্ট করছে। গত তিন বছরে কেবল এই দূষণের কারণেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইলিশ আহরণ ৪৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন খোরশেদ আলম।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ক্লিন-এর প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদীও দীর্ঘদিন ধরে এই তিন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নিঃসরণ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছেন। তিনি জানান, প্রকল্পগুলো স্থাপনের পর থেকেই নদীতে বর্জ্য ও গরম পানি ফেলার কারণে ইলিশের বিচরণ কমেছে। এর পাশাপাশি পদ্মাসহ অন্যান্য প্রধান নদীতে নাব্য সংকট ইলিশের স্বাভাবিক চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষক আনিসুর রহমানের ভাষ্যমতে, সাগরের নোনা জল থেকে নদীতে আসার পথে ইলিশের স্রোত ও গভীর পানির প্রয়োজন হয়, যেখানে অন্তত ১০ মিটার গভীরতা থাকা জরুরি। কিন্তু এখন বহু জায়গায় সেই গভীরতা মিলছে না।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরের জেলে পূর্ণ দাস জানান, ৩০ বছরের মাছ ধরার জীবনে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি তিনি হননি। আগে যেখানে প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৬০টি ইলিশ পেতেন, এখন জাল ফেললেও কোনো মাছ মিলছে না। একইভাবে শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, গত পাঁচ বছরে সেখানে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যার পেছনে ডুবোচর ও পানিদূষণ প্রধান কারণ।

তন্মধ্যে তেঁতুলিয়া, মেঘনা, রাবনাবাদ ও বিষখালীসহ ২০টি পয়েন্টে ইলিশের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক স্থানে পানির গভীরতা ১৮ থেকে ২০ ফুটে নেমে এসেছে, অথচ প্রজননের জন্য ৭৫ থেকে ৮০ ফুট গভীরতার প্রয়োজন। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার এবং উপকূলজুড়ে শতাধিক স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম বাধা তৈরি হওয়ায় মাছের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়াও একটি উদ্বেগের কারণ। এছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া মাছটির খাদ্যশৃঙ্খলের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে। গত বছর এক কেজি ওজনের ইলিশ যেখানে ২ হাজার ২০০ টাকায় পাওয়া যেত, এ বছর তা ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বড় ইলিশের সরবরাহ কম এবং কোথাও কোথাও ৩ কেজি ওজনের ইলিশ ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দেশে প্রায় ৭ লাখ জেলে সরাসরি ইলিশ ধরার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় জিডিপিতে এই মাছের অবদান প্রায় ১ শতাংশ। বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একাই প্রায় ৮০ শতাংশ জোগান দেয়। এমতাবস্থায় ইলিশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে বাঙালির প্রিয় এই মাছ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্পে কাল থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতির আশ্বাস পেলেন ব্যবসায়ী নেতারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাইবার সুরক্ষা আইনে ফিরছে ডিএসএর ছায়া। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চলবে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এশিয়ান গেমস / উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০ গোল হজম করে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষ্য, ইলিশের সংখ্যা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সময় একে স্রোতের বিপরীতে সাঁতরে এগোতে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অথচ শরীয়তপুরের পদ্মার প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৭০ বছর বয়সী পূর্ণ দাস ৩০ বছর ধরে পদ্মায় মাছ ধরছেন।