ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের একটি উপকূলীয় শহরে বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনীর চালানো এই হামলায় এক শিশুসহ অন্তত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও ৬৮ জন আহত হয়েছেন। এই নৃশংসতাকে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় আইআরজিসি প্রধান মেজর জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই সন্ত্রাসী ও অমানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অশুভ ও শয়তানি চেহারা আবারও বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। বিয়ের মতো একটি আনন্দঘন ও নিরাপদ পরিবেশে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর এমন হামলা শত্রুদের দীর্ঘদিনের ঘৃণা ও শত্রুতার বহিঃপ্রকাশ। তবে এই হামলা ইরানের মানুষের প্রতিরোধ ও ইস্পাতকঠিন সংকল্পের সামনে শত্রুদের অসহায়ত্ব ও হতাশাকেও স্পষ্ট করেছে।
নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আইআরজিসি প্রধান বলেন, ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা এবং মহান ইরানি জাতির প্রতিও আমি শোক প্রকাশ করছি। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন, শহীদদের পবিত্র রক্তপাতের বিচারহীনতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এই রক্তপাতের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং শহীদদের রক্তের পবিত্রতা রক্ষায় আইআরজিসি ও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বদ্ধপরিকর।
মেজর জেনারেল ওয়াহিদি আরও উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এবং হরমুজের যুদ্ধের সময় যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের মতোই এই শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় তারা অবিচল। তিনি বলেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং ইসলামি দেশের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী তাদের সর্বশক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
রিপোর্টার নাম: 






















