Hi

০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো, ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই প্রবণতাকে আরও তরান্বিত করতে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’। এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৩০টি শীর্ষস্থানীয় ও নামী বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি অংশ নেয়, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

শনিবার আয়োজিত এই এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক ফারহানা নাজরিনসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রতিনিধিরা। উদ্বোধনী বক্তব্যে আয়োজকরা জানান, বর্তমান যুগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা ও উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আগ্রহ দিন দিন বহুগুণ বেড়ে চলেছে।

মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, বিশ্বমানের গবেষণার সুযোগ, বহুমুখী সংস্কৃতি এবং পড়াশোনা শেষ করে কাজের সুবিশাল ক্ষেত্র শিক্ষার্থীদের আকর্ষিত করছে। এই বিশাল সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই শিক্ষার্থীদের সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

দিনব্যাপী চলা এই প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা ব্যাপক ভিড় জমান। তারা মোনাশ ইউনিভার্সিটি, ম্যাককুয়েরি ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের মতো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান। আলোচনা পর্বে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অ্যাকাডেমিক যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কোর্স নির্বাচন, ভর্তি প্রক্রিয়া, টিউশন ফি, স্কলারশিপ বা বৃত্তির সুযোগ, স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং এবং আর্থিক পরিকল্পনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ (পার্টটাইম জব) এবং গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের নানা প্রশ্নের সমাধান পান।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলাগুলো শিক্ষার্থীদের ভুল তথ্য বা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করে এবং সঠিক উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক্সপোতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও এমন আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, এক ছাদের নিচে এতগুলো অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি পাওয়ার ফলে তাদের প্রস্তুতি অনেক সহজ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বড় পরিসরে আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয়

সুন্দর ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠনে মুমিনের ৯টি অপরিহার্য অভ্যাস

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রাজধানীতে সফলভাবে সম্পন্ন হলো অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো, ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ

আপডেট : ০২:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই প্রবণতাকে আরও তরান্বিত করতে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’। এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৩০টি শীর্ষস্থানীয় ও নামী বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি অংশ নেয়, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

শনিবার আয়োজিত এই এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক ফারহানা নাজরিনসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রতিনিধিরা। উদ্বোধনী বক্তব্যে আয়োজকরা জানান, বর্তমান যুগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা ও উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আগ্রহ দিন দিন বহুগুণ বেড়ে চলেছে।

মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, বিশ্বমানের গবেষণার সুযোগ, বহুমুখী সংস্কৃতি এবং পড়াশোনা শেষ করে কাজের সুবিশাল ক্ষেত্র শিক্ষার্থীদের আকর্ষিত করছে। এই বিশাল সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই শিক্ষার্থীদের সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

দিনব্যাপী চলা এই প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা ব্যাপক ভিড় জমান। তারা মোনাশ ইউনিভার্সিটি, ম্যাককুয়েরি ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের মতো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান। আলোচনা পর্বে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অ্যাকাডেমিক যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কোর্স নির্বাচন, ভর্তি প্রক্রিয়া, টিউশন ফি, স্কলারশিপ বা বৃত্তির সুযোগ, স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং এবং আর্থিক পরিকল্পনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ (পার্টটাইম জব) এবং গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের নানা প্রশ্নের সমাধান পান।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলাগুলো শিক্ষার্থীদের ভুল তথ্য বা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করে এবং সঠিক উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক্সপোতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও এমন আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, এক ছাদের নিচে এতগুলো অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি পাওয়ার ফলে তাদের প্রস্তুতি অনেক সহজ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বড় পরিসরে আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।