Hi

০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে তীরবর্তী বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি বিলীন হতে শুরু করেছে। এতে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। সাময়িকভাবে অনেকেই নদীর পাড়েই আশ্রয় নিয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে টাঙ্গন নদীর পানি বৃদ্ধির খবরও পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। এবার ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে মুহূর্তের মধ্যে বসতঘর নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের ঘরের মালামাল সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আশ্রয়ের সংকটে নদীর পাড়েই অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। স্থানীয়রা বলছেন, সময়মতো স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না করলে আরও অনেক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো চেচনিয়ার প্রধান কাদিরভ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের

আপডেট : ১১:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে তীরবর্তী বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি বিলীন হতে শুরু করেছে। এতে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। সাময়িকভাবে অনেকেই নদীর পাড়েই আশ্রয় নিয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে টাঙ্গন নদীর পানি বৃদ্ধির খবরও পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। এবার ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে মুহূর্তের মধ্যে বসতঘর নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের ঘরের মালামাল সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আশ্রয়ের সংকটে নদীর পাড়েই অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। স্থানীয়রা বলছেন, সময়মতো স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না করলে আরও অনেক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।