Hi

০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে চমক: ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পেল নিওক্লাউড

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৯ জন দেখেছে

বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির জয়জয়কার অব্যাহত রয়েছে। এই ধারায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ওপেন সোর্স মডেল হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নিওক্লাউড’ (Neocloud)। সাম্প্রতিক এক বিনিয়োগ রাউন্ডে প্রতিষ্ঠানটি ৮০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল তহবিল সংগ্রহ করেছে। এই বিনিয়োগের ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য বা ভ্যালুয়েশন এখন ৮.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রযুক্তি বিশ্বে তাদের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ভ্যালুয়েশনে সর্বশেষ বিনিয়োগ পেয়েছিল। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তাদের বাজারমূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পাওয়া এআই স্টার্টআপ খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অদম্য আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। নিওক্লাউড মূলত ডেভেলপার এবং এআই গবেষকদের এমন একটি ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, যেখানে তারা খুব সহজেই ওপেন সোর্স মডেলগুলোকে হোস্ট করতে এবং পরিচালনা করতে পারেন। বর্তমানে বাজারে জেনারেটিভ এআই-এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় কোম্পানিটির এই বিশেষায়িত সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওপেন সোর্স এআই মডেলগুলোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিওক্লাউডের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যখন তাদের নিজস্ব ক্লোজড-সোর্স মডেলে মনোযোগ দিচ্ছে, তখন নিওক্লাউড উন্মুক্ত প্রযুক্তির প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। ৮০০ মিলিয়ন ডলারের এই নতুন তহবিল প্রতিষ্ঠানটিকে তাদের অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে, সার্ভার সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিশ্বজুড়ে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে, যেখানে প্রযুক্তি খাতের অনেক কোম্পানি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে নিওক্লাউডের এই সাফল্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি খাতের প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের এই ধারাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। নিওক্লাউডের এই উল্লম্ফন প্রমাণ করে যে, সঠিক প্রযুক্তিগত সমাধান এবং কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল থাকলে এআই খাতে বিনিয়োগের অভাব নেই। সামনের দিনগুলোতে প্রতিষ্ঠানটি এআই গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

মাদারীপুরে কোটি টাকার নকল সিগারেট জব্দ: রাজস্ব ফাঁকির বড় চক্র আটক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে চমক: ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পেল নিওক্লাউড

আপডেট : ১২:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির জয়জয়কার অব্যাহত রয়েছে। এই ধারায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ওপেন সোর্স মডেল হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নিওক্লাউড’ (Neocloud)। সাম্প্রতিক এক বিনিয়োগ রাউন্ডে প্রতিষ্ঠানটি ৮০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল তহবিল সংগ্রহ করেছে। এই বিনিয়োগের ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য বা ভ্যালুয়েশন এখন ৮.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রযুক্তি বিশ্বে তাদের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ভ্যালুয়েশনে সর্বশেষ বিনিয়োগ পেয়েছিল। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তাদের বাজারমূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পাওয়া এআই স্টার্টআপ খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অদম্য আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। নিওক্লাউড মূলত ডেভেলপার এবং এআই গবেষকদের এমন একটি ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, যেখানে তারা খুব সহজেই ওপেন সোর্স মডেলগুলোকে হোস্ট করতে এবং পরিচালনা করতে পারেন। বর্তমানে বাজারে জেনারেটিভ এআই-এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় কোম্পানিটির এই বিশেষায়িত সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওপেন সোর্স এআই মডেলগুলোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিওক্লাউডের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যখন তাদের নিজস্ব ক্লোজড-সোর্স মডেলে মনোযোগ দিচ্ছে, তখন নিওক্লাউড উন্মুক্ত প্রযুক্তির প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। ৮০০ মিলিয়ন ডলারের এই নতুন তহবিল প্রতিষ্ঠানটিকে তাদের অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে, সার্ভার সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিশ্বজুড়ে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে, যেখানে প্রযুক্তি খাতের অনেক কোম্পানি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে নিওক্লাউডের এই সাফল্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি খাতের প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের এই ধারাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। নিওক্লাউডের এই উল্লম্ফন প্রমাণ করে যে, সঠিক প্রযুক্তিগত সমাধান এবং কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল থাকলে এআই খাতে বিনিয়োগের অভাব নেই। সামনের দিনগুলোতে প্রতিষ্ঠানটি এআই গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।