Hi

০২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান-চীনের সম্মিলিত উদ্যোগ: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাত অবসানে স্থগিত হওয়া আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য পাকিস্তান সচেষ্ট হচ্ছে, এবং এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এবার চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কারণে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার চাপ বাড়ছে।

ইসলামাবাদে চীনের উদ্যোগে নতুন করে এই শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পাকিস্তানি সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির ইসলামাবাদ সফরের সময় এই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় পাকিস্তান সফর। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মোমেনি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই আলোচনাগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের স্থগিত হয়ে যাওয়া সংলাপ পুনরায় শুরু করার পথ খোঁজার ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনা শুরুর পথে এখনও উল্লেখযোগ্য বাধা বিদ্যমান।

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা বর্তমানে আরও জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। চলতি সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান গত বছর সৌদি আরবের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা ইসলামাবাদের জন্য এক নাজুক কূটনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছে। সৌদি আরবের আর্থিক সহায়তার ওপর দীর্ঘকাল ধরে নির্ভরশীল হওয়ায়, পাকিস্তান সম্প্রতি হুতিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি পাকিস্তান ইরানের প্রতি অতি সহানুভূতিশীল অবস্থান নেয়, তাহলে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের ঐতিহ্যবাহী সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে চীনেরও এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান বাণিজ্যপথগুলো পুনরায় সচল করতে বেইজিং কূটনৈতিক সমাধানের প্রত্যাশী। গত সপ্তাহে পাকিস্তান সফরকালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। পাকিস্তানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “যুদ্ধ চলমান থাকলে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে চীনের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লোহিত সাগরে কোনো বিঘ্ন ঘটলে বেইজিংয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।” এর ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের এবং অন্যান্য পক্ষের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে। তারা যত দ্রুত সম্ভব উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ইরানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দেশটির অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন বিভিন্ন প্রযুক্তি, চিপ তৈরির সরঞ্জাম এবং স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। যদিও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বেইজিং প্রকাশ্যে কোনো সামরিক সহায়তা দেয়নি।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য বিশেষ দূতও পাঠিয়েছিল। এর আগে, পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। এই সমঝোতার উদ্দেশ্য ছিল স্থায়ী চুক্তির জন্য ৬০ দিনের আলোচনার সুযোগ তৈরি করা। তবে, সেই চুক্তির পরবর্তী আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং সংঘাত পুনরায় মাথাচাড়া দিয়েছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, তাদের ঘোষিত নৌ অবরোধের অংশ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীর পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ হওয়াই এখন নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরুর অন্যতম পূর্বশর্ত। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, ইসলামাবাদ ইতিমধ্যে তেহরানকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কুয়েতও সৌদি আরবের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে, যা পাকিস্তানের আঞ্চলিক অবস্থানকে আরও জটিল করতে পারে।

জনপ্রিয়

বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট: সব রেকর্ড ভাঙার শঙ্কায় জ্বালানির দাম

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান-চীনের সম্মিলিত উদ্যোগ: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

আপডেট : ০১:১৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাত অবসানে স্থগিত হওয়া আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য পাকিস্তান সচেষ্ট হচ্ছে, এবং এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এবার চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কারণে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার চাপ বাড়ছে।

ইসলামাবাদে চীনের উদ্যোগে নতুন করে এই শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পাকিস্তানি সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির ইসলামাবাদ সফরের সময় এই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় পাকিস্তান সফর। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মোমেনি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই আলোচনাগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের স্থগিত হয়ে যাওয়া সংলাপ পুনরায় শুরু করার পথ খোঁজার ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনা শুরুর পথে এখনও উল্লেখযোগ্য বাধা বিদ্যমান।

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা বর্তমানে আরও জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। চলতি সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান গত বছর সৌদি আরবের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা ইসলামাবাদের জন্য এক নাজুক কূটনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছে। সৌদি আরবের আর্থিক সহায়তার ওপর দীর্ঘকাল ধরে নির্ভরশীল হওয়ায়, পাকিস্তান সম্প্রতি হুতিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি পাকিস্তান ইরানের প্রতি অতি সহানুভূতিশীল অবস্থান নেয়, তাহলে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের ঐতিহ্যবাহী সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে চীনেরও এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান বাণিজ্যপথগুলো পুনরায় সচল করতে বেইজিং কূটনৈতিক সমাধানের প্রত্যাশী। গত সপ্তাহে পাকিস্তান সফরকালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। পাকিস্তানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “যুদ্ধ চলমান থাকলে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে চীনের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লোহিত সাগরে কোনো বিঘ্ন ঘটলে বেইজিংয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।” এর ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের এবং অন্যান্য পক্ষের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে। তারা যত দ্রুত সম্ভব উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ইরানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দেশটির অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন বিভিন্ন প্রযুক্তি, চিপ তৈরির সরঞ্জাম এবং স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। যদিও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বেইজিং প্রকাশ্যে কোনো সামরিক সহায়তা দেয়নি।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য বিশেষ দূতও পাঠিয়েছিল। এর আগে, পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। এই সমঝোতার উদ্দেশ্য ছিল স্থায়ী চুক্তির জন্য ৬০ দিনের আলোচনার সুযোগ তৈরি করা। তবে, সেই চুক্তির পরবর্তী আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং সংঘাত পুনরায় মাথাচাড়া দিয়েছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, তাদের ঘোষিত নৌ অবরোধের অংশ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীর পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ হওয়াই এখন নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরুর অন্যতম পূর্বশর্ত। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, ইসলামাবাদ ইতিমধ্যে তেহরানকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কুয়েতও সৌদি আরবের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে, যা পাকিস্তানের আঞ্চলিক অবস্থানকে আরও জটিল করতে পারে।