Hi

১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলতি বছর ৪৮ দফায় দাম বাড়ল সোনার

দেশের বাজারে ৪৮ দফায় আবারো বেড়েছে সোনার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও স্থানীয় চাহিদা বাড়ায় নতুন করে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন ঘোষণায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (২০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনটির মতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধির ফলে এ সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায়, ২১ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৪৮ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ অক্টোবর সর্বশেষ সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আরও এক দফা বাড়ল দাম, যা নিয়ে চলতি বছরে মোট ৬৬ বার সমন্বয় করা হলো সোনার দাম। এর মধ্যে ৪৮ বার দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮ বার।

আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম ছুঁয়েছে রেকর্ড উচ্চতা। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এবং সরকারি কার্যক্রম আংশিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন। এর প্রভাবেই বিশ্ববাজারে সোনার দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ২৪০ ডলার অতিক্রম করেছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতাদের চিন্তায় ফেলেছে। বাজুসের এক সদস্য বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে আমাদেরও সমন্বয় করতে হয়। তবে এত ঘন ঘন পরিবর্তনে ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছে।”

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর সোমবার থেকে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হবে, যা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় সোনাকে আরও আকর্ষণীয় সম্পদে পরিণত করছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

চলতি বছর ৪৮ দফায় দাম বাড়ল সোনার

আপডেট : ১১:২২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশের বাজারে ৪৮ দফায় আবারো বেড়েছে সোনার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও স্থানীয় চাহিদা বাড়ায় নতুন করে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন ঘোষণায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (২০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনটির মতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধির ফলে এ সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায়, ২১ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট সোনার ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৪৮ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, গহনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ অক্টোবর সর্বশেষ সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আরও এক দফা বাড়ল দাম, যা নিয়ে চলতি বছরে মোট ৬৬ বার সমন্বয় করা হলো সোনার দাম। এর মধ্যে ৪৮ বার দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮ বার।

আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম ছুঁয়েছে রেকর্ড উচ্চতা। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এবং সরকারি কার্যক্রম আংশিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন। এর প্রভাবেই বিশ্ববাজারে সোনার দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ২৪০ ডলার অতিক্রম করেছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতাদের চিন্তায় ফেলেছে। বাজুসের এক সদস্য বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে আমাদেরও সমন্বয় করতে হয়। তবে এত ঘন ঘন পরিবর্তনে ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছে।”

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর সোমবার থেকে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হবে, যা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় সোনাকে আরও আকর্ষণীয় সম্পদে পরিণত করছে।