সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি ফের বড় ধরনের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) এই হামলার ঘটনা ঘটে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, খামিস মুশাইতের আকাশে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন এবং জাজানের আকাশে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
হামলা প্রসঙ্গে সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, খামিস মুশাইতের একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। এতে বেশ কয়েকটি ভবন ও যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সিভিল ডিফেন্স দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হুতি মিলিশিয়াদের এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সৌদি জোট যেকোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
এদিকে, সর্বশেষ এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত মঙ্গলবার ভোরে মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার পেছনেও হুতিরাই দায়ী। এই কেন্দ্রটি থেকে মসজিদে নববীসহ মদিনার গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। হামলায় কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে পড়লেও সৌদি আরবের সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মদিনায় হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার কড়া নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান। এছাড়া গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। জিসিসির ভাষ্যমতে, সৌদি আরব ও সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জিসিসি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাম্প্রতিক সময়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দিয়েছে।
রিপোর্টার নাম: 


















