Hi

০৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। গত রোববার (৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতকালে উভয় দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনার মূল এজেন্ডার মধ্যে ছিল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন। এসব খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে দুই পক্ষই ইতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের চলমান সহযোগিতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের বিষয়ে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

জনপ্রিয়

আইএমএফের ঋণচুক্তি বাতিল, শর্ত মানবে না বাংলাদেশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট : ০৮:০৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। গত রোববার (৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতকালে উভয় দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনার মূল এজেন্ডার মধ্যে ছিল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন। এসব খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে দুই পক্ষই ইতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের চলমান সহযোগিতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের বিষয়ে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।