Hi

১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় সশস্ত্র হামলায় ঝরল দুই প্রাণ: চলছে তদন্ত

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৯:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের পুষ্পপাড়া এলাকায় একটি গরুর হাটের কার্যালয়ে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম এবং স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত রিপন। সালাম ধর্মগ্রামের মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর ছেলে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে শ্রমিক লীগ নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুষ্পপাড়া হাটে আব্দুস সালামের নিজস্ব কার্যালয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অপর নিহত রিপন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বিএনপি কর্মী বা নেতা বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যাবেলা আব্দুস সালাম যখন তার কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন, তখন সাত থেকে আটজনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতে সেখানে উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলির শব্দ শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় ৭-৮ জনের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করে তাকে এবং রিপনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনের রহস্য উদঘাটনে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো পূর্বশত্রুতার জেরে এই সহিংস ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে দুর্বৃত্তরা।

এই জোড়া খুনের ঘটনার পর পুষ্পপাড়া এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সব ধরণের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পাবনায় সশস্ত্র হামলায় ঝরল দুই প্রাণ: চলছে তদন্ত

আপডেট : ০৯:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের পুষ্পপাড়া এলাকায় একটি গরুর হাটের কার্যালয়ে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম এবং স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত রিপন। সালাম ধর্মগ্রামের মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর ছেলে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে শ্রমিক লীগ নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুষ্পপাড়া হাটে আব্দুস সালামের নিজস্ব কার্যালয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অপর নিহত রিপন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বিএনপি কর্মী বা নেতা বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যাবেলা আব্দুস সালাম যখন তার কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন, তখন সাত থেকে আটজনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতে সেখানে উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলির শব্দ শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় ৭-৮ জনের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করে তাকে এবং রিপনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনের রহস্য উদঘাটনে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো পূর্বশত্রুতার জেরে এই সহিংস ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে দুর্বৃত্তরা।

এই জোড়া খুনের ঘটনার পর পুষ্পপাড়া এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সব ধরণের চেষ্টা চলমান রয়েছে।