লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসন ও সহায়তা কার্যক্রম
- সহযোগিতা: লিবিয়া সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
- বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা ফেরত আসা নাগরিকদের স্বাগত জানান।
- আইওএমের ভূমিকা: ফেরত আসা ব্যক্তিদের যাতায়াত খরচ, খাদ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সাময়িক আবাসনের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা ব্যক্তিদের বেশিরভাগই দালাল বা মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অবৈধভাবে লিবিয়ায় প্রবেশের পর তারা বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দিয়েছে। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা অন্যদের জানানোর আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা না বাড়ান।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ
- পূর্ববর্তী ঘটনা: গত ১৮ আগস্ট লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আইওএমের সহায়তায় আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছিলেন।
- ধারাবাহিকতা: গত ১৮ আগস্টের ঘটনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর আরও ১৭৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।
উল্লেখ্য যে, লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের এই প্রক্রিয়াটি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার নজির রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: ট্রাম্প।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেঙ্গু: টানা চতুর্থ দিন ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মোট মৃত্যু ১০০ ছাড়াল।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিপিএল স্থগিত: ত্যাগ স্বীকার করে কী পাচ্ছেন মিঠুনরা।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র সিলেটে।
রিপোর্টার নাম: 





















