Hi

০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় চীনে রেকর্ড তেলের দাম

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৩:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে চীনের জ্বালানি বাজারে। দেশটিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই পেট্রোলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার সাংহাই ফিউচার্সে অপরিশোধিত তেলের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১৩০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা একটি রেকর্ড। তবে শুক্রবার বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হয়ে সেই দর প্রায় ১১৩ ডলারে নেমে আসে। উচ্চমূল্যের এই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সৃষ্ট বিঘ্ন প্রধান ভূমিকা পালন করছে। সংঘাত শুরুর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬০ লাখ ব্যারেলে। পাশাপাশি সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাও বৈশ্বিক তেলের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই পাইপলাইনটি মেরামত করা সম্ভব হবে।

জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতার মাঝে চীনের শোধনাগারগুলো নিজস্ব কৌশল পরিবর্তন করেছে। ডিজেলের আন্তর্জাতিক বাজারে ঘাটতি ও উচ্চমূল্যের সুযোগ নিতে চীনা শোধনাগারগুলো এখন ডিজেল উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও মুনাফার সুযোগ বিবেচনায় শোধনাগারগুলো বাজারে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যা চীনের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংঘাতের আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে প্রতিদিন দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল পরিবহন করা হতো।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় চীনে রেকর্ড তেলের দাম

আপডেট : ০৩:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে চীনের জ্বালানি বাজারে। দেশটিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই পেট্রোলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার সাংহাই ফিউচার্সে অপরিশোধিত তেলের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১৩০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা একটি রেকর্ড। তবে শুক্রবার বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হয়ে সেই দর প্রায় ১১৩ ডলারে নেমে আসে। উচ্চমূল্যের এই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সৃষ্ট বিঘ্ন প্রধান ভূমিকা পালন করছে। সংঘাত শুরুর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬০ লাখ ব্যারেলে। পাশাপাশি সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাও বৈশ্বিক তেলের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই পাইপলাইনটি মেরামত করা সম্ভব হবে।

জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতার মাঝে চীনের শোধনাগারগুলো নিজস্ব কৌশল পরিবর্তন করেছে। ডিজেলের আন্তর্জাতিক বাজারে ঘাটতি ও উচ্চমূল্যের সুযোগ নিতে চীনা শোধনাগারগুলো এখন ডিজেল উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও মুনাফার সুযোগ বিবেচনায় শোধনাগারগুলো বাজারে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যা চীনের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংঘাতের আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে প্রতিদিন দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল পরিবহন করা হতো।