Hi

০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে কারাভোগ শেষে কুড়িগ্রামের দুই সীমান্ত দিয়ে ফিরলেন পাঁচ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ জন দেখেছে

ভারতে দীর্ঘসময় কারাভোগের পর গতকাল শুক্রবার কুড়িগ্রামের দুটি সীমান্ত দিয়ে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সীমান্ত দিয়ে এবং দুজন রৌমারী সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন। বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে আটক হওয়ার পর আসাম পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল। সাজা মেয়াদের পুরো সময়টা তাঁদের ভারতের কারাগারেই কাটাতে হয়।

ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে ফেরা তিনজন হলেন কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার সোভারকুটি গ্রামের আবদুল জলিল (২৯) ও মো. মোজাফফর হোসেন (২২) এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার শারমীন বেগম (২৫)। বিজিবি জানায়, আবদুল জলিল ও মোজাফফর হোসেন ৩৩ মাস এবং শারমীন বেগম ২৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মোজাফফর হোসেন জানান, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত কুয়াশায় সীমান্ত পথ হারিয়ে তাঁরা ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়েছিলেন, যার ফলে বিএসএফ তাঁদের আটক করে।

অন্যদিকে একই দিনে রৌমারী উপজেলার চর নতুনবন্দর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছেন আরও দুজন। তাঁরা হলেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ওসমান বিন হাসান এবং কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার আবদুল হাই। ৩৫ বিজিবি জামালপুর ব্যাটালিয়নের বাংলাবাজার বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতের আসাম রাজ্যের মাইনকারচর সাহাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্প থেকে তাঁদের গ্রহণ করেন।

শুক্রবার বিকেল ও সন্ধ্যা নাগাদ পৃথক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ সদস্যদের কাছ থেকে তাঁদের বিজিবি বুঝে নেয়। এরপর ভূরুঙ্গামারী ও রৌমারী থানার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়। উভয় সীমান্তেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোজাফফর হোসেন (২২) এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ীর গোলাপবাগ এলাকার মৃত নুর আহম্মেদের মেয়ে শারমীন বেগম (২৫)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গতকাল শুক্রবার তাঁদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তাঁদের ভূরুঙ্গামারী থানায় সোপর্দ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার পর নিয়মিত প্রক্রিয়ায় বিএসএফ তাঁদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কুয়াশার কারণে সীমান্তের অবস্থান বুঝতে পারেননি তাঁরা।

জনপ্রিয়

জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ভারতে কারাভোগ শেষে কুড়িগ্রামের দুই সীমান্ত দিয়ে ফিরলেন পাঁচ

আপডেট : ১২:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে দীর্ঘসময় কারাভোগের পর গতকাল শুক্রবার কুড়িগ্রামের দুটি সীমান্ত দিয়ে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সীমান্ত দিয়ে এবং দুজন রৌমারী সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন। বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে আটক হওয়ার পর আসাম পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল। সাজা মেয়াদের পুরো সময়টা তাঁদের ভারতের কারাগারেই কাটাতে হয়।

ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে ফেরা তিনজন হলেন কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার সোভারকুটি গ্রামের আবদুল জলিল (২৯) ও মো. মোজাফফর হোসেন (২২) এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার শারমীন বেগম (২৫)। বিজিবি জানায়, আবদুল জলিল ও মোজাফফর হোসেন ৩৩ মাস এবং শারমীন বেগম ২৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মোজাফফর হোসেন জানান, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত কুয়াশায় সীমান্ত পথ হারিয়ে তাঁরা ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়েছিলেন, যার ফলে বিএসএফ তাঁদের আটক করে।

অন্যদিকে একই দিনে রৌমারী উপজেলার চর নতুনবন্দর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছেন আরও দুজন। তাঁরা হলেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ওসমান বিন হাসান এবং কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার আবদুল হাই। ৩৫ বিজিবি জামালপুর ব্যাটালিয়নের বাংলাবাজার বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতের আসাম রাজ্যের মাইনকারচর সাহাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্প থেকে তাঁদের গ্রহণ করেন।

শুক্রবার বিকেল ও সন্ধ্যা নাগাদ পৃথক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ সদস্যদের কাছ থেকে তাঁদের বিজিবি বুঝে নেয়। এরপর ভূরুঙ্গামারী ও রৌমারী থানার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়। উভয় সীমান্তেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোজাফফর হোসেন (২২) এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ীর গোলাপবাগ এলাকার মৃত নুর আহম্মেদের মেয়ে শারমীন বেগম (২৫)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গতকাল শুক্রবার তাঁদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তাঁদের ভূরুঙ্গামারী থানায় সোপর্দ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার পর নিয়মিত প্রক্রিয়ায় বিএসএফ তাঁদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কুয়াশার কারণে সীমান্তের অবস্থান বুঝতে পারেননি তাঁরা।