Hi

০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে এআই-নির্ভর অপপ্রচারের তথ্যে দুদকের অভিযোগের মিল

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৮:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছে

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগ গত জানুয়ারি মাস থেকেই বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ছড়ানো হচ্ছিল। ডিজিটাল অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্ম ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, এসব তথ্য মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ভিত্তিহীন ও সূত্রবিহীন প্রতিবেদন। এমনকি সাত মাস আগে এসব এআই-নির্ভর প্রতিবেদনে যে নির্দিষ্ট টাকার হিসাব ও খাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার অভিযোগে হুবহু একই তথ্য তুলে ধরেছে।

তদন্ত অনুযায়ী, গত ৩০ জানুয়ারি ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের ছত্রছায়ায় থাকা অবস্থায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার প্রকল্পের নামে এই বিশাল অংকের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ বা সুনির্দিষ্ট নথিপত্র না থাকলেও বারবার ‘সূত্রগুলোর দাবি’ বা ‘সংশ্লিষ্টরা বলছেন’—এমন অস্পষ্ট ভাষার ব্যবহার করা হয়েছে, যা এআই-জেনারেটেড প্রতিবেদনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

পরবর্তীতে ১১ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন, একই পেজ থেকে পাচারের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পুনরায় প্রচারণা চালানো হয়। এবার দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩,০০০ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২,০০০ কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কাল্পনিক দাবি করা হয়। এছাড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর অভিযোগও আনা হয়। মজার বিষয় হলো, দুদকের সাম্প্রতিক অভিযোগে ঠিক এই অংকগুলো এবং দেশগুলোর নামই উল্লেখ করা হয়েছে, যা জনমনে সন্দেহের উদ্রেক করেছে।

এই সামগ্রিক বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রিউমার স্ক্যানারকে জানান, ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত একটি অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজের মনগড়া ও মিথ্যা রিপোর্টকেই দুদক সত্য বলে ধরে নিয়ে তাদের অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যদিকে, দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি গোপনীয় এবং জনসংযোগ বিভাগ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানে না। তাদের হাতে দেওয়া লেখাটিই তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন।

দুদক বিষয়টিকে কেবল একটি ‘অভিযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করলেও গণমাধ্যমের বড় একটি অংশ এবং অনেক সাংবাদিক একে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করেছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকা ‘আসিফ মাহমুদের টাকা সুইস ব্যাংকে’ বা ‘আসিফের ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার’—এমন শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে। দুদকের এই সংবাদ সম্মেলনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। কেউ দাবি করে দুদকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে, আবার কেউ আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তারের ভুয়া তথ্য ছড়ায়। গ্রেপ্তারের দাবির সঙ্গে ব্যবহৃত ছবিটিও ছিল এআই দিয়ে তৈরি একটি কারসাজি।

এছাড়া ফেসবুকে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে পুলিশ তাকে খুঁজছে এবং তিনি পালিয়ে আছেন—এমন ভুয়া ভিডিও ফুটেজও ছড়ানো হয়। তবে রিউমার স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেই ভিডিওটি ২০২২ সালের পুরনো একটি ঘটনার। আজকের কণ্ঠ নামক প্ল্যাটফর্মটি অতীতেও নিয়মিত অপপ্রচার চালানোর জন্য একাধিক ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে চিহ্নিত হয়েছে। সব মিলিয়ে, দুদকের মতো একটি দায়িত্বশীল সংস্থার অভিযোগের সাথে সাত মাস আগের এআই-সৃষ্ট অপপ্রচারের তথ্যের এমন কাকতালীয় মিল দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ক্রীড়াঙ্গনে অস্থিরতা, ক্রিকেটে বিপর্যয় ও ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের বিস্তার’ দীর্ঘ শিরোনাম দিয়ে ডেস্ক রিপোর্ট হিসেবে কথিত একটি প্রতিবেদন ‘দৈনিক আজকের কন্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুহাম্মদ ইউনুসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আশকারা ও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, স্টেডিয়াম সংস্কার, যুব ক্রীড়া প্রকল্প এবং স্থানীয় সরকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দীর্ঘ এই প্রতিবেদনের কোনো অংশে সুনির্দিষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট কারো নাম উল্লেখ করে বক্তব্য, প্রমাণ বা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি৷ চ্যাটজিপিটি আলোচিত প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করে জানায়, এটিতে এআই-জেনারেটেড বা এআই-সহায়তায় লেখা হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ লেখাটিতে অত্যন্ত গুরুতর ও নির্দিষ্ট অভিযোগ করা হলেও অধিকাংশ তথ্যের উৎস অস্পষ্ট—বারবার “সূত্রগুলোর দাবি”, “সংশ্লিষ্টরা বলছেন” বা “অভিযোগ রয়েছে” বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো নথি, তদন্ত, ব্যক্তি বা যাচাইযোগ্য সূত্র নেই। চাকরির আরও তথ্য: পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের অসংখ্য অভিযোগ, প্রকল্পের পরিসংখ্যান, অর্থপাচার, অফশোর কোম্পানি ও বিদেশে বিনিয়োগের মতো তথ্য একসঙ্গে সাজানো হয়েছে, যা এআই দিয়ে তৈরি অভিযোগভিত্তিক লেখার সাধারণ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন, ১১ ফেব্রুয়ারি একই পেজ থেকে অর্থ পাচার সংক্রান্ত একই দাবিটি পুনরায় আরো বিস্তৃত পরিসরে প্রচার করা হয়৷ গোয়েন্দা সূত্র ও আন্তর্জাতিক ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সের নথিপত্রের বরাত দিয়ে এবার দাবি করা হয়, পাচারের ১১। 11, 4, 500, 3, 000, 2, 1. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই পোস্টে আরো বলা হয়, “অভিযোগ আছে, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর একক কারিগর ছিলেন আসিফ মাহমুদ।”।

জনপ্রিয়

রাজধানীর আবাসিক হোটেলে অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে এআই-নির্ভর অপপ্রচারের তথ্যে দুদকের অভিযোগের মিল

আপডেট : ০৮:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগ গত জানুয়ারি মাস থেকেই বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ছড়ানো হচ্ছিল। ডিজিটাল অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্ম ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, এসব তথ্য মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ভিত্তিহীন ও সূত্রবিহীন প্রতিবেদন। এমনকি সাত মাস আগে এসব এআই-নির্ভর প্রতিবেদনে যে নির্দিষ্ট টাকার হিসাব ও খাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার অভিযোগে হুবহু একই তথ্য তুলে ধরেছে।

তদন্ত অনুযায়ী, গত ৩০ জানুয়ারি ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের ছত্রছায়ায় থাকা অবস্থায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার প্রকল্পের নামে এই বিশাল অংকের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ বা সুনির্দিষ্ট নথিপত্র না থাকলেও বারবার ‘সূত্রগুলোর দাবি’ বা ‘সংশ্লিষ্টরা বলছেন’—এমন অস্পষ্ট ভাষার ব্যবহার করা হয়েছে, যা এআই-জেনারেটেড প্রতিবেদনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

পরবর্তীতে ১১ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন, একই পেজ থেকে পাচারের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পুনরায় প্রচারণা চালানো হয়। এবার দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩,০০০ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২,০০০ কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কাল্পনিক দাবি করা হয়। এছাড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর অভিযোগও আনা হয়। মজার বিষয় হলো, দুদকের সাম্প্রতিক অভিযোগে ঠিক এই অংকগুলো এবং দেশগুলোর নামই উল্লেখ করা হয়েছে, যা জনমনে সন্দেহের উদ্রেক করেছে।

এই সামগ্রিক বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রিউমার স্ক্যানারকে জানান, ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত একটি অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজের মনগড়া ও মিথ্যা রিপোর্টকেই দুদক সত্য বলে ধরে নিয়ে তাদের অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যদিকে, দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি গোপনীয় এবং জনসংযোগ বিভাগ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানে না। তাদের হাতে দেওয়া লেখাটিই তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন।

দুদক বিষয়টিকে কেবল একটি ‘অভিযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করলেও গণমাধ্যমের বড় একটি অংশ এবং অনেক সাংবাদিক একে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করেছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকা ‘আসিফ মাহমুদের টাকা সুইস ব্যাংকে’ বা ‘আসিফের ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার’—এমন শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে। দুদকের এই সংবাদ সম্মেলনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। কেউ দাবি করে দুদকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে, আবার কেউ আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তারের ভুয়া তথ্য ছড়ায়। গ্রেপ্তারের দাবির সঙ্গে ব্যবহৃত ছবিটিও ছিল এআই দিয়ে তৈরি একটি কারসাজি।

এছাড়া ফেসবুকে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে পুলিশ তাকে খুঁজছে এবং তিনি পালিয়ে আছেন—এমন ভুয়া ভিডিও ফুটেজও ছড়ানো হয়। তবে রিউমার স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেই ভিডিওটি ২০২২ সালের পুরনো একটি ঘটনার। আজকের কণ্ঠ নামক প্ল্যাটফর্মটি অতীতেও নিয়মিত অপপ্রচার চালানোর জন্য একাধিক ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে চিহ্নিত হয়েছে। সব মিলিয়ে, দুদকের মতো একটি দায়িত্বশীল সংস্থার অভিযোগের সাথে সাত মাস আগের এআই-সৃষ্ট অপপ্রচারের তথ্যের এমন কাকতালীয় মিল দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ক্রীড়াঙ্গনে অস্থিরতা, ক্রিকেটে বিপর্যয় ও ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের বিস্তার’ দীর্ঘ শিরোনাম দিয়ে ডেস্ক রিপোর্ট হিসেবে কথিত একটি প্রতিবেদন ‘দৈনিক আজকের কন্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুহাম্মদ ইউনুসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আশকারা ও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, স্টেডিয়াম সংস্কার, যুব ক্রীড়া প্রকল্প এবং স্থানীয় সরকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দীর্ঘ এই প্রতিবেদনের কোনো অংশে সুনির্দিষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট কারো নাম উল্লেখ করে বক্তব্য, প্রমাণ বা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি৷ চ্যাটজিপিটি আলোচিত প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করে জানায়, এটিতে এআই-জেনারেটেড বা এআই-সহায়তায় লেখা হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ লেখাটিতে অত্যন্ত গুরুতর ও নির্দিষ্ট অভিযোগ করা হলেও অধিকাংশ তথ্যের উৎস অস্পষ্ট—বারবার “সূত্রগুলোর দাবি”, “সংশ্লিষ্টরা বলছেন” বা “অভিযোগ রয়েছে” বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো নথি, তদন্ত, ব্যক্তি বা যাচাইযোগ্য সূত্র নেই। চাকরির আরও তথ্য: পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের অসংখ্য অভিযোগ, প্রকল্পের পরিসংখ্যান, অর্থপাচার, অফশোর কোম্পানি ও বিদেশে বিনিয়োগের মতো তথ্য একসঙ্গে সাজানো হয়েছে, যা এআই দিয়ে তৈরি অভিযোগভিত্তিক লেখার সাধারণ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন, ১১ ফেব্রুয়ারি একই পেজ থেকে অর্থ পাচার সংক্রান্ত একই দাবিটি পুনরায় আরো বিস্তৃত পরিসরে প্রচার করা হয়৷ গোয়েন্দা সূত্র ও আন্তর্জাতিক ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সের নথিপত্রের বরাত দিয়ে এবার দাবি করা হয়, পাচারের ১১। 11, 4, 500, 3, 000, 2, 1. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই পোস্টে আরো বলা হয়, “অভিযোগ আছে, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর একক কারিগর ছিলেন আসিফ মাহমুদ।”।