সাম্প্রতিক আলোচিত বিষয়সমূহ
- পাহাড় থেকে সমতল: বাংলাদেশে বাড়ছে কফির চাষ
- দেশের মাটিতে কি বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি?
- বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার / লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে না, সরকারকে সময় দিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ‘বাবর আজম কি পিসিবির পরবর্তী টার্গেট?’
- তৃতীয় এফএসআরইউর জন্য ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিরোধীদলের বিভিন্ন কর্মসূচি প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব নয়। সরকারকে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া প্রয়োজন। শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
সালাম প্রশ্ন রাখেন, লংমার্চ করে কি গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যায়? তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধীদলের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে যে, বর্তমান উদ্যোগের বাইরে আর কী করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘আজকে হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে পেট্রোল পোড়ালে তাতে আমাদেরই খরচ বাড়বে। এই জ্বালানি কিনতে ডলার লাগে, যা নিজের টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব নয়।’
বিরোধীদলের সমালোচনা করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তারা কেবল বক্তৃতা দেয়, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা বা আবর্জনা মুক্ত করার মতো কোনো কার্যকর কর্মসূচি তাদের নেই। তিনি বলেন, ‘সবকিছু হাওয়া থেকে আসবে না। আগের সরকার ঋণের বোঝা রেখে গেছে, সেই বোঝা মাথায় নিয়েই বর্তমান সরকার কাজ করছে। গত ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে, যা আগে কখনো হয়নি।’
নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ‘আবর্জনা রাস্তায় বা বুড়িগঙ্গায় ফেলবো না’—এই শপথ নেওয়ার পাশাপাশি নদী দখল ও অবৈধ কারখানা উচ্ছেদের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। ড্রেন বা নালায় প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা নিরসনে নাগরিক সচেতনতা অপরিহার্য।
এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ পুরো নগরীতে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, শিগগির গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল স্থাপন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া পথশিশুদের শিক্ষার প্রসারে এসটিএস পয়েন্টগুলোতে ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে ডিএসসিসির।
অস্থায়ী এই বাজারে স্থানীয় বাসিন্দারা বর্জ্য ওজন করে টোকেন সংগ্রহ করেন এবং সেই টোকেনের বিনিময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গ্রহণ করেন। পণ্যের তালিকার মধ্যে রয়েছে—ছয় কেজি বর্জ্যে একটি মুরগি, পাঁচ কেজিতে একটি মাছ, এক কেজিতে ছয়টি ডিম, চার কেজিতে দুই কেজি আটা, পাঁচ কেজিতে এক লিটার তেল, তিন কেজিতে এক কেজি চিনি এবং দুই কেজিতে এক প্যাকেট টোস্ট বিস্কিট। অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার নাম: 






















