Hi

০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় পুরো বাহিনী নেবে না: আইজিপি

পুলিশ বাহিনীর হাতেগোনা কিছু সদস্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় পুরো বাহিনী বহন করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের এই বৃত্তি দেওয়া হয়।

আইজিপি বলেন, পুলিশ যখনই কোনো বড় ধরনের অপরাধ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়, তখনই তাদের লক্ষ্য করে গুজব ও মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয়। তিনি এ ধরনের ‘হলুদ সাংবাদিকতার’ বিরুদ্ধে প্রকৃত সাংবাদিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, পুলিশের ভেতরেও খারাপ লোক আছে, তবে তা মোট সদস্যের এক শতাংশেরও কম। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অপরাধে জড়িত পুলিশ সদস্যের হার শূন্য দশমিক সত্তর শতাংশ। এই ক্ষুদ্র অংশের অপকর্মের দায়ভার পুরো বাহিনী নিতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ প্রধান বলেন, কোনো সদস্য অপরাধ করলে তা সংবাদে তুলে ধরা হোক, কিন্তু ভিত্তিহীন অপবাদ দিয়ে বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা কাম্য নয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যাংকগুলো প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। আমানতকারীরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ষড়যন্ত্র না করে সবাইকে মিলে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আইজিপি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে দেশ অকার্যকর হয়ে পড়বে। জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে নতুন প্রজন্মের একাংশ ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করছে, তা উদ্বেগজনক। মানুষের সম্পদ থাকলেও যদি চলাফেরায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকে, তবে সেই রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে যায়।

অপরাধ দমনে আইনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের বারবার আইনের আওতায় আনা হলেও আইনি ফাঁকফোকরের কারণে তাদের দীর্ঘমেয়াদে আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন ও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আইজিপি উল্লেখ করেন, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের সংখ্যা খুবই কম—প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য মাত্র একজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাদক একটি মরণফাঁদ, যা নানা নামে ও কৌশলে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় মাদককে ‘এনার্জি ট্যাবলেট’ বা আকর্ষণীয় নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, সন্তানদের যেন এ বিষয়ে সতর্ক রাখা হয়। একই সঙ্গে মোবাইল, ইন্টারনেট গেম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত আসক্তিকেও তিনি মাদকের মতোই ক্ষতিকর বলে অভিহিত করেন। প্রযুক্তিকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তি যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৮০১ জন এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২৭২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৪৫ জন এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৯৫ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছে। দুই বছরে মোট ২ হাজার ১১৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। শনিবার ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬০ জনের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয় এবং বাকিদের সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মাধ্যমে তা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন এআইজি ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, অভিভাবক ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি একবার বলেছিলাম, আমাদের পুলিশের এক শতাংশ লোকও খারাপ না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা নিয়ে মিডিয়াতে বলা শুরু হলো, তিনি পুলিশের অনিয়মকে জায়েজ করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই অল্প সংখ্যক করাপটেড সদস্যের জন্য আমার গোটা পুলিশ বাহিনী কেন দায় নেবে?’’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইনের সীমাবদ্ধতায় অপরাধীরা ফের জড়াচ্ছে অপরাধে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাদক থেকে তরুণদের দূরে থাকার আহ্বান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, সাময়িক কৌতূহল বা কোনো প্ররোচনায় মাদকের ভয়াল থাবা যেন তাদের স্পর্শ করতে না পারে, সেজন্য সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।

জনপ্রিয়

পুলিশের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় পুরো বাহিনী নেবে না: আইজিপি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পুলিশের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় পুরো বাহিনী নেবে না: আইজিপি

আপডেট : ০৮:৩২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ বাহিনীর হাতেগোনা কিছু সদস্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় পুরো বাহিনী বহন করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের এই বৃত্তি দেওয়া হয়।

আইজিপি বলেন, পুলিশ যখনই কোনো বড় ধরনের অপরাধ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়, তখনই তাদের লক্ষ্য করে গুজব ও মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয়। তিনি এ ধরনের ‘হলুদ সাংবাদিকতার’ বিরুদ্ধে প্রকৃত সাংবাদিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, পুলিশের ভেতরেও খারাপ লোক আছে, তবে তা মোট সদস্যের এক শতাংশেরও কম। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অপরাধে জড়িত পুলিশ সদস্যের হার শূন্য দশমিক সত্তর শতাংশ। এই ক্ষুদ্র অংশের অপকর্মের দায়ভার পুরো বাহিনী নিতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ প্রধান বলেন, কোনো সদস্য অপরাধ করলে তা সংবাদে তুলে ধরা হোক, কিন্তু ভিত্তিহীন অপবাদ দিয়ে বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা কাম্য নয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যাংকগুলো প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। আমানতকারীরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ষড়যন্ত্র না করে সবাইকে মিলে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আইজিপি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে দেশ অকার্যকর হয়ে পড়বে। জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে নতুন প্রজন্মের একাংশ ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করছে, তা উদ্বেগজনক। মানুষের সম্পদ থাকলেও যদি চলাফেরায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকে, তবে সেই রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে যায়।

অপরাধ দমনে আইনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের বারবার আইনের আওতায় আনা হলেও আইনি ফাঁকফোকরের কারণে তাদের দীর্ঘমেয়াদে আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন ও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আইজিপি উল্লেখ করেন, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের সংখ্যা খুবই কম—প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য মাত্র একজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাদক একটি মরণফাঁদ, যা নানা নামে ও কৌশলে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় মাদককে ‘এনার্জি ট্যাবলেট’ বা আকর্ষণীয় নামে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, সন্তানদের যেন এ বিষয়ে সতর্ক রাখা হয়। একই সঙ্গে মোবাইল, ইন্টারনেট গেম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত আসক্তিকেও তিনি মাদকের মতোই ক্ষতিকর বলে অভিহিত করেন। প্রযুক্তিকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তি যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৮০১ জন এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২৭২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৪৫ জন এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৯৫ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতায় এসেছে। দুই বছরে মোট ২ হাজার ১১৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। শনিবার ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬০ জনের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয় এবং বাকিদের সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মাধ্যমে তা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন এআইজি ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, অভিভাবক ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি একবার বলেছিলাম, আমাদের পুলিশের এক শতাংশ লোকও খারাপ না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা নিয়ে মিডিয়াতে বলা শুরু হলো, তিনি পুলিশের অনিয়মকে জায়েজ করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই অল্প সংখ্যক করাপটেড সদস্যের জন্য আমার গোটা পুলিশ বাহিনী কেন দায় নেবে?’’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইনের সীমাবদ্ধতায় অপরাধীরা ফের জড়াচ্ছে অপরাধে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাদক থেকে তরুণদের দূরে থাকার আহ্বান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, সাময়িক কৌতূহল বা কোনো প্ররোচনায় মাদকের ভয়াল থাবা যেন তাদের স্পর্শ করতে না পারে, সেজন্য সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।