Hi

০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে মোবাইল সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাতে, যখন পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়িতে সিঁধ কেটে চোরেরা তিনটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এই চুরির ঘটনায় গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে শালনীনকে সন্দেহ করে তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁকে ধরে নিয়ে মারধর করেন। পরবর্তীতে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তবে মোবাইল চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় পুলিশ শালনীনকে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে পাঠায়।

এই ঘটনার জেরে শনিবার দুপুরে জব্বার আলীর চাচা রফিক আলী ও তাঁর ছেলে আলামিন আব্দুল মছব্বিরের ভাই সেলিম আহমেদকে ধরে আনতে যান। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সেলিম আহমেদকে রামদা দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে শনিবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে আসেনি। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর সেলিম আহমেদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

জনপ্রিয়

দেশের সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সুনামগঞ্জে মোবাইল সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

আপডেট : ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাতে, যখন পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়িতে সিঁধ কেটে চোরেরা তিনটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এই চুরির ঘটনায় গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে শালনীনকে সন্দেহ করে তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁকে ধরে নিয়ে মারধর করেন। পরবর্তীতে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তবে মোবাইল চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় পুলিশ শালনীনকে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে পাঠায়।

এই ঘটনার জেরে শনিবার দুপুরে জব্বার আলীর চাচা রফিক আলী ও তাঁর ছেলে আলামিন আব্দুল মছব্বিরের ভাই সেলিম আহমেদকে ধরে আনতে যান। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সেলিম আহমেদকে রামদা দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে শনিবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে আসেনি। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর সেলিম আহমেদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।