Hi

১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জুবাইদা রহমানের শ্রদ্ধা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ জন দেখেছে

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান এবং প্রথিতযশা সামরিক কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তাঁর কনিষ্ঠ কন্যা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ ডা. জুবাইদা রহমান। রাজধানী ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে অবস্থিত মরহুমের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট ২০২৬) আয়োজিত এই স্মরণানুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে তাঁর বোন শাহিনা খান জামান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই সাবেক প্রধানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং শান্তি কামনা করে পবিত্র কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশের সামরিক ও রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারকরণে ও নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখেন। সততা, কর্মনিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের জন্য তিনি সামরিক ও বেসামরিক মহলে অত্যন্ত সমাদৃত ছিলেন। ১৯৮৪ সালের আজকের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের সদস্য ছাড়াও দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আজকের এই স্মরণানুষ্ঠানটি পারিবারিকভাবে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। তাঁর আদর্শ ও অবদান আজও দেশের সামরিক বাহিনী ও নীতিনির্ধারণী মহলে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

জনপ্রিয়

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ, অনুসন্ধানে কমিটি গঠন

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জুবাইদা রহমানের শ্রদ্ধা

আপডেট : ১০:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান এবং প্রথিতযশা সামরিক কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তাঁর কনিষ্ঠ কন্যা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ ডা. জুবাইদা রহমান। রাজধানী ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে অবস্থিত মরহুমের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট ২০২৬) আয়োজিত এই স্মরণানুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে তাঁর বোন শাহিনা খান জামান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই সাবেক প্রধানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং শান্তি কামনা করে পবিত্র কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশের সামরিক ও রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারকরণে ও নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখেন। সততা, কর্মনিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের জন্য তিনি সামরিক ও বেসামরিক মহলে অত্যন্ত সমাদৃত ছিলেন। ১৯৮৪ সালের আজকের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের সদস্য ছাড়াও দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আজকের এই স্মরণানুষ্ঠানটি পারিবারিকভাবে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। তাঁর আদর্শ ও অবদান আজও দেশের সামরিক বাহিনী ও নীতিনির্ধারণী মহলে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।