নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আখতার আহমেদ জানান, “ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, চেকপোস্ট এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ-এই তিন ভাগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হবে। প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। সুষ্ঠু-সুন্দর ভোট অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর ব্যত্যয় ঘটলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
ইসি সচিব বলেন, “যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত। অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ডিজিটাল পরিবেশ সুরক্ষায় সাইবার সিকিউরিটি সেল গঠন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যেসব অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে তাগিদ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
‘রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা কিংবা প্রার্থীর কাছ থেকে কোনো ধরনের সুবিধা নেয়া যাবে না-আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ নির্দেশনা স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
‘২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী কত দিন মাঠে থাকবে বা কীভাবে মোতায়েন হবে, সে বিষয়ে এখনও আলোচনা হয়নি’-বলেও যোগ করেন তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মীর আলাউদ্দিন 




















