Hi

১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকান্ড

জনি ভূঁইয়ার জবানবন্দি, গ্রেপ্তার পাতাসহ ১ জন

রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে (৪৭) গুলি করে হত্যার ঘটনার স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মোঃ জনি ভূঁইয়া নামে এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মিরপুরে দোকানে ঢুকে কিবরিয়াকে গুলি করে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হন তিনি। গোপন সুত্রের বরাতে জানা যায় এই পর্যন্ত কিবরিয়া হত্যাকান্ডে সাথে ভুইয়া জনি ছাড়াও পাতা সোহেল ও আরো একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী। যদিও পাতা সোহেলসহ আরো একজন গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

মঙ্গলবার ১৮ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে জনি ভূঁইয়া জবানবন্দি দেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন জানান, আজ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় পল্লবী থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ হানিফ সেটি রেকর্ডের আবেদন করেন। পরে আদালত জবানবন্দি নেন।

আরো পড়ুন : অপ্রতিরোধ্য পল্লবীর মাদক সাম্রাজ্য

গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ‘সি’ ব্লকে হার্ডওয়্যারের একটি দোকানে গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় আজ রাজধানীর পল্লবী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭–৮ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে হত্যা মামলা করেন কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার। জনি ছাড়া অপর আসামিরা হলেন সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০), সোহাগ কালু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকন (৩০)। বিভিন্ন সুত্রের বরাতে জানা যায় বেশ কিছুদিন ধরেই যুবদল নেতা কিবরিয় মাদকের মাসোহারা নিয়ে মাদক ব্যবসাকে শ্লেটার এর বিপক্ষে কাজ করছিলেন। যেকারণে তিনি বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের রোষানলে পড়েন।

জানা যায় গোলাম কিবরিয়া প্রায় সন্ধ্যার পরে পল্লবী থানার বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে বসে তাঁর বন্ধু মাসুদ রানা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলেন। সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সেখানে ঢুকে তাঁকে গুলি করেন জনি ভূঁইয়া, সোহাগ কালু ও রোকন। হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দেন সোহেল ও মাসুম। সুত্র মারফত জানা যায় হত্যাকান্ডের সময় আধুনিক মোড়ে ও সি ব্লক মোড়ে দুজন করে তাদের আরো সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

হত্যার পর পালানোর চেষ্টার সময় স্থানীয়রা জনিকে আটক করেন। অন্য আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যান। পালিয়ে যাবার সময় তারা আরো একজন রিক্সা চালককে গুলি করেন। দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, কিবরিয়া দোকানের পাশের রুম থেকে মূল দরজার রুমে ঢোকার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে ঢুকে তাঁকে গুলি করতে শুরু করেন। দুর্বৃত্তদের একজনের পরনে পাঞ্জাবি ও দুজনের গায়ে শার্ট ছিল এবং প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল।

 

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকান্ড

জনি ভূঁইয়ার জবানবন্দি, গ্রেপ্তার পাতাসহ ১ জন

আপডেট : ১২:৫১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে (৪৭) গুলি করে হত্যার ঘটনার স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মোঃ জনি ভূঁইয়া নামে এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মিরপুরে দোকানে ঢুকে কিবরিয়াকে গুলি করে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হন তিনি। গোপন সুত্রের বরাতে জানা যায় এই পর্যন্ত কিবরিয়া হত্যাকান্ডে সাথে ভুইয়া জনি ছাড়াও পাতা সোহেল ও আরো একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী। যদিও পাতা সোহেলসহ আরো একজন গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

মঙ্গলবার ১৮ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে জনি ভূঁইয়া জবানবন্দি দেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন জানান, আজ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় পল্লবী থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ হানিফ সেটি রেকর্ডের আবেদন করেন। পরে আদালত জবানবন্দি নেন।

আরো পড়ুন : অপ্রতিরোধ্য পল্লবীর মাদক সাম্রাজ্য

গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ‘সি’ ব্লকে হার্ডওয়্যারের একটি দোকানে গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় আজ রাজধানীর পল্লবী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭–৮ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে হত্যা মামলা করেন কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার। জনি ছাড়া অপর আসামিরা হলেন সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০), সোহাগ কালু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকন (৩০)। বিভিন্ন সুত্রের বরাতে জানা যায় বেশ কিছুদিন ধরেই যুবদল নেতা কিবরিয় মাদকের মাসোহারা নিয়ে মাদক ব্যবসাকে শ্লেটার এর বিপক্ষে কাজ করছিলেন। যেকারণে তিনি বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের রোষানলে পড়েন।

জানা যায় গোলাম কিবরিয়া প্রায় সন্ধ্যার পরে পল্লবী থানার বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে বসে তাঁর বন্ধু মাসুদ রানা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলেন। সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সেখানে ঢুকে তাঁকে গুলি করেন জনি ভূঁইয়া, সোহাগ কালু ও রোকন। হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দেন সোহেল ও মাসুম। সুত্র মারফত জানা যায় হত্যাকান্ডের সময় আধুনিক মোড়ে ও সি ব্লক মোড়ে দুজন করে তাদের আরো সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

হত্যার পর পালানোর চেষ্টার সময় স্থানীয়রা জনিকে আটক করেন। অন্য আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যান। পালিয়ে যাবার সময় তারা আরো একজন রিক্সা চালককে গুলি করেন। দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, কিবরিয়া দোকানের পাশের রুম থেকে মূল দরজার রুমে ঢোকার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে ঢুকে তাঁকে গুলি করতে শুরু করেন। দুর্বৃত্তদের একজনের পরনে পাঞ্জাবি ও দুজনের গায়ে শার্ট ছিল এবং প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল।