Hi

১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালানো অভিযোগে

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৯:০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ জন দেখেছে

কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে পুলিশের হেফাজত থেকে রুবেল হোসেন নামের এক আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নাঙ্গলকোট থানায় নারী নির্যাতনের মামলায় বুধবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে হাজির করার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে আসে পুলিশ। আদালত ভবনের নিচতলায় যখন তাঁকে পুলিশের হাজতখানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল, ঠিক তখনই তিনি কৌশলে পুলিশের হাত ফসকে পালিয়ে যান।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত রুবেলের হাতে হাতকড়া থাকলেও তাঁর হাত সরু হওয়ায় তিনি তা খুলে ফেলতে সক্ষম হন। এরপরই আদালত চত্বর থেকে তিনি দ্রুত পালিয়ে যান। নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের কোটালিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে রুবেলকে ধরতে ঘটনার পরপরই ব্যাপক অভিযান শুরু করে পুলিশ।

প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর বেলা তিনটার দিকে আদালত ভবনের পাশের একটি এলাকা থেকে রুবেলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা তৎপরতায় তাঁকে ফের হেফাজতে নিতে সক্ষম হয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পুনরায় গ্রেপ্তারের পরপরই রুবেলকে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় এভাবে আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

কুমিল্লায় হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালানো অভিযোগে

আপডেট : ০৯:০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে পুলিশের হেফাজত থেকে রুবেল হোসেন নামের এক আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নাঙ্গলকোট থানায় নারী নির্যাতনের মামলায় বুধবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে হাজির করার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে আসে পুলিশ। আদালত ভবনের নিচতলায় যখন তাঁকে পুলিশের হাজতখানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল, ঠিক তখনই তিনি কৌশলে পুলিশের হাত ফসকে পালিয়ে যান।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত রুবেলের হাতে হাতকড়া থাকলেও তাঁর হাত সরু হওয়ায় তিনি তা খুলে ফেলতে সক্ষম হন। এরপরই আদালত চত্বর থেকে তিনি দ্রুত পালিয়ে যান। নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের কোটালিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে রুবেলকে ধরতে ঘটনার পরপরই ব্যাপক অভিযান শুরু করে পুলিশ।

প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর বেলা তিনটার দিকে আদালত ভবনের পাশের একটি এলাকা থেকে রুবেলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা তৎপরতায় তাঁকে ফের হেফাজতে নিতে সক্ষম হয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পুনরায় গ্রেপ্তারের পরপরই রুবেলকে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় এভাবে আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।