Hi

১২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

দেশের শীতলতম এলাকা হিসেবে পরিচিত চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলজুড়ে নেমে এসেছে শীত। বৃহস্পতিবার  শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সকাল ৬টায় ও ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই চলতি শীত মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। গত কদিন ধরেই শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমে আসছিল।

শ্রীমঙ্গলে দিনের বেলায় কিছুটা গরম লাগলেও সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে শীত অনুভুত হতে থাকে। রাত বাড়ার সাথে সাথে শীতও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে উপজেলার চা বাগানগুলোতে শীতের তীব্রতা বেশি। দিনমুজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে।

শীতের আগমনি বার্তার সাথে সাথে শ্রীমঙ্গলের লেপতোষকের দোকানগুলোতে লেপতোষক বানানোর ধুম পড়েছে। ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। কারীগররাও লেপতোষক বানাতে দিনরাত কাজ করছেন। এদিকে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতেও গরম কাপড় বেচাকেনা বেড়েছে।

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে বদলে যাচ্ছে এখানকার প্রকৃতির রূপ। সকাল-সন্ধ্যায় চা-বাগানজুড়ে নেমে আসছে হালকা কুয়াশা। ভোরের আলোয় গাছের পাতা ও ঘাসে ঝিলমিল করছে শিশিরবিন্দু। চা-রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।

বড়গাঙিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের সভাপতি মো. মিন্নত আলী বলেন, ‘শীতের শুরুতেই বাইক্কা বিলে অতিথি পাখির  দেখা মিলছে। শীত যত বাড়ছে, অতিথি পাখির সংখ্যাও তত বাড়ছে। কিছুদিন পর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে বিলজুড়ে মুখরতা ছড়িয়ে দেবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাওর, খাল-বিল ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের লেকগুলোতেও অতিথি পাখির আগমন শুরু হয়েছে। তাদের কিচিরমিচিরে এসব স্থানগুলো ধীরে ধীরে প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মাত্র ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ৩.৩ ডিগ্রি, ২০০৩ সালের ২৩ জানুয়ারি ৫ ডিগ্রি, ২০০৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ৫.২ ডিগ্রি, ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি ও ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট : ১১:১৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশের শীতলতম এলাকা হিসেবে পরিচিত চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলজুড়ে নেমে এসেছে শীত। বৃহস্পতিবার  শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সকাল ৬টায় ও ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই চলতি শীত মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। গত কদিন ধরেই শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমে আসছিল।

শ্রীমঙ্গলে দিনের বেলায় কিছুটা গরম লাগলেও সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে শীত অনুভুত হতে থাকে। রাত বাড়ার সাথে সাথে শীতও বাড়তে থাকে। বিশেষ করে উপজেলার চা বাগানগুলোতে শীতের তীব্রতা বেশি। দিনমুজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে।

শীতের আগমনি বার্তার সাথে সাথে শ্রীমঙ্গলের লেপতোষকের দোকানগুলোতে লেপতোষক বানানোর ধুম পড়েছে। ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। কারীগররাও লেপতোষক বানাতে দিনরাত কাজ করছেন। এদিকে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতেও গরম কাপড় বেচাকেনা বেড়েছে।

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে বদলে যাচ্ছে এখানকার প্রকৃতির রূপ। সকাল-সন্ধ্যায় চা-বাগানজুড়ে নেমে আসছে হালকা কুয়াশা। ভোরের আলোয় গাছের পাতা ও ঘাসে ঝিলমিল করছে শিশিরবিন্দু। চা-রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।

বড়গাঙিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের সভাপতি মো. মিন্নত আলী বলেন, ‘শীতের শুরুতেই বাইক্কা বিলে অতিথি পাখির  দেখা মিলছে। শীত যত বাড়ছে, অতিথি পাখির সংখ্যাও তত বাড়ছে। কিছুদিন পর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে বিলজুড়ে মুখরতা ছড়িয়ে দেবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাওর, খাল-বিল ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের লেকগুলোতেও অতিথি পাখির আগমন শুরু হয়েছে। তাদের কিচিরমিচিরে এসব স্থানগুলো ধীরে ধীরে প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মাত্র ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ৩.৩ ডিগ্রি, ২০০৩ সালের ২৩ জানুয়ারি ৫ ডিগ্রি, ২০০৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ৫.২ ডিগ্রি, ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি ও ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।