বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, “যারা আইন-কানুন, সংবিধান এবং লিগ্যালিটি মেনে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়, তাদের প্রতি আহ্বান করবো; কোনো রাজনৈতিক দলের অরাজনৈতিক, অবৈধ, অসাংবিধানিক, বেআইনি আবদার মেনে এ জাতিকে সংকটে ফেলে দেওয়া যাবে না। আমাদের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতাই থাকতে হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এই সরকার সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার সরকার। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বহুবার তার বক্তব্যে বলেছেন। এই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই আইনানুগভাবে ভবিষ্যতে এই রাষ্ট্রকে একটি আইনের শাসনের রাষ্ট্র হিসেবে পরিচালিত করতে হবে। স্ট্যাব্লিশ করতে হবে। আইনের শাসনের রাষ্ট্রের প্র্যাকটিস দেখাতে হবে।
আমাদের পাশের কিছু দেশ আছে, যারা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা চায় না। কেন চায় না? কারণ, তাদের স্বার্থ আছে। তারা যদি আবারও অস্থিতিশীল করতে পারে, তবে শেখ হাসিনার মতো আরেকটি ফ্যাসিস্ট সরকার পেতে পারে, অথবা দুর্বল সরকারের কাছে যা কিছুই দাবি করা যাবে, সবকিছু আদায় করা যাবে। আমরা কী সেটা চাই?-প্রশ্ন রাখেন বিএনপির এ নেতা।
‘পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার মতো আরেকটি ফ্যাসিস্ট বা দুর্বল সরকার তৈরি হতে পারে। এমনটা হলে দেশ স্থায়ীভাবে অস্থিতিশীল হবে’-মনে করেন সালাউদ্দিন।
তিনি আরও যোগ করেন, “পিআর চাওয়ার একটি উদ্দেশ্য হলো বেশি সিট পাওয়া। আরেকটি হচ্ছে দেশে অনৈক্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে মেজোরিটি পার্টি ক্ষমতায় না আসতে পারে।’ এ সময় যারা কম জনপ্রিয় তাদের জন্য পিআর লাভজনক।”
‘কোন পদ্ধতিতে ভোট হবে তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধানে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কথা বলা রয়েছে। তা জানতে জামায়াতকে সংবিধানে খুলে দেখতে হবে’-যোগ করেন সালাউদ্দিন।
নিজস্ব প্রতিনিধি 













