নিরাপত্তাকে মহান আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। দেশের বড় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম কিংবা পাড়ার ক্ষুদ্রতম জনবসতি পর্যন্ত সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন তিনি। প্রতিকূল আবহাওয়া, পাহাড়ি ও সামুদ্রিক দুর্গম এলাকায় সীমান্ত রক্ষা থেকে শুরু করে দেশের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় মোজতবা খামেনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর ভূমিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও দৃশ্যমান হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন সংঘাত ও যুদ্ধের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমের গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে স্থানীয় থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের স্থিতিশীলতাকে আরও মজবুত করেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো শত্রুরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছে। বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সম্মুখসারির ইউনিটগুলোর ওপর আঘাত হানার এসব উদ্যোগ প্রকৃতপক্ষে এই প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য গুরুত্বকেই আরও বেশি ফুটিয়ে তুলেছে।
ইতিহাসে নজিরবিহীন বিদ্বেষপূর্ণ এই আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহসী সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি। সংঘাতময় পরিস্থিতিতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের অবিচল থাকা এবং বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধগুলোর সময় তাদের ভূমিকা দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রিপোর্টার নাম: 























