Hi

০২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য ও ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যতের সমীকরণ

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পার্লামেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাডি আইজেনকোটের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে রয়েছে।

নির্বাচন সামনে রেখে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানগুলো মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন সাবেক ইসরাইলি কূটনীতিক অ্যালন পিঙ্কাস। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার মূলত ভোটারদের কাছে নিজেদের কঠোর অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করছে। তবে তার মতে, এসব কৌশলী পদক্ষেপের মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জনমত নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেওয়া এখন অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পিঙ্কাস আরও মনে করেন, বর্তমানে যারা সরকারে রয়েছেন, তাদের বড় একটি অংশ পরবর্তী সরকারে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকারের পশ্চিম তীর বিষয়ক নীতির আলোচনা আপাতত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরাইলি নীতিতে বড় কোনো ‘নাটকীয় পরিবর্তন’ আসার সম্ভাবনা দেখছেন না এই কূটনীতিক।

তার ভাষ্যমতে, নতুন সরকার হয়তো অবৈধ বসতি স্থাপন ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে ঝুঁকতে পারে। সেই সাথে ইসরাইলি পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে অঞ্চলটিতে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হতে পারে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরাইলের বড় ধরনের কোনো নীতিগত পরিবর্তনের আশা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন অ্যালন পিঙ্কাস।

কাশিমপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নেভাতে ১০ ইউনিট

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য ও ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যতের সমীকরণ

আপডেট : ১২:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পার্লামেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাডি আইজেনকোটের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে রয়েছে।

নির্বাচন সামনে রেখে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানগুলো মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন সাবেক ইসরাইলি কূটনীতিক অ্যালন পিঙ্কাস। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার মূলত ভোটারদের কাছে নিজেদের কঠোর অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করছে। তবে তার মতে, এসব কৌশলী পদক্ষেপের মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জনমত নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেওয়া এখন অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পিঙ্কাস আরও মনে করেন, বর্তমানে যারা সরকারে রয়েছেন, তাদের বড় একটি অংশ পরবর্তী সরকারে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকারের পশ্চিম তীর বিষয়ক নীতির আলোচনা আপাতত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরাইলি নীতিতে বড় কোনো ‘নাটকীয় পরিবর্তন’ আসার সম্ভাবনা দেখছেন না এই কূটনীতিক।

তার ভাষ্যমতে, নতুন সরকার হয়তো অবৈধ বসতি স্থাপন ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে ঝুঁকতে পারে। সেই সাথে ইসরাইলি পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে অঞ্চলটিতে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হতে পারে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরাইলের বড় ধরনের কোনো নীতিগত পরিবর্তনের আশা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন অ্যালন পিঙ্কাস।