Hi

১০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি আমদানি ও টার্মিনাল স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। এছাড়া দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর বিষয়টি মাথায় রেখে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

প্রস্তাবিত এই টার্মিনালগুলো চালু হলে দেশের জ্বালানি খাতের সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শিল্প ও গৃহস্থালি পর্যায়ে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই সরকার এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি আমদানি ও টার্মিনাল স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার

আপডেট : ০৮:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। এছাড়া দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর বিষয়টি মাথায় রেখে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

প্রস্তাবিত এই টার্মিনালগুলো চালু হলে দেশের জ্বালানি খাতের সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শিল্প ও গৃহস্থালি পর্যায়ে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই সরকার এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।