Hi

০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিডনিতে জেমস ও রূপমের কনসার্টে দর্শক মাতালেন দুই বাংলার রক তারকা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৮:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ জন দেখেছে

শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টার পরিণত হয়েছিল দুই বাংলার রক সংগীতের এক মিলনমেলায়। নগরবাউল জেমস এবং কলকাতার ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলামকে এক মঞ্চে দেখার অপেক্ষায় থাকা দুই হাজারেরও বেশি প্রবাসী দর্শক এই আয়োজনে শামিল হন। সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের এই কনসার্টটি সংগীতপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মূল পর্বের সূচনা হয়। রাত সাতটার কিছু আগে মঞ্চে ওঠেন রূপম ইসলাম। সোয়া এক ঘণ্টার পরিবেশনায় তিনি ‘হাসনুহানা’, ‘একলা ঘর’ ও ‘অ্যাসিড’-এর মতো প্রায় ১৫টি গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর পরিবেশনার সময় উপস্থিত শ্রোতারা করতালি ও হর্ষধ্বনির মাধ্যমে নিয়মিত সাড়া দিয়েছেন।

রূপমের পরিবেশনা শেষে রাত পৌনে নয়টার দিকে মঞ্চে আসেন জেমস। তাঁর উপস্থিতি মিলনায়তনের দর্শকদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাসের সঞ্চার করে। জেমস কোনো ভূমিকা ছাড়াই সরাসরি গানে ডুব দেন। তিনি ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘মীরাবাঈ’, ‘তারায় তারায়’, ‘সুন্দরীতমা’ এবং হিন্দি গান ‘ভিগি ভিগি’ পরিবেশন করেন। বিশেষ করে ‘মা’ গানটি গাওয়ার সময় পুরো মিলনায়তন এক আবেগঘন স্তব্ধতায় ডুবে যায়। যদিও অনেকে ‘বাবা’ গানটি শোনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত জেমসের জাদুকরী উপস্থিতি ও গানে মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে দর্শকদের মাঝে।

কনসার্টের এক পর্যায়ে বেঙ্গলি সিনে ক্লাবের পক্ষ থেকে সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদের মঞ্চে ডেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়, যাঁদের জেমস নিজেও স্বাগত জানান। সিডনির বাসিন্দা তালাত মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিন পর সিডনিতে এমন গোছানো আয়োজন দেখে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, জেমস যখন ‘তারায় তারায়’ ও ‘ভিগি ভিগি’ গাইছিলেন, তখন পুরো হল এক হয়ে গিয়েছিল। অনিতা বিশ্বাস ও কামরুল হাসানের মতো দর্শকরাও এই কনসার্ট নিয়ে গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

আয়োজক তানিম মান্নান দর্শকদের এমন অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে ভবিষ্যতে আরও এমন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালে ভারতের একটি কনসার্টে এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। সিডনির এই সফল আয়োজনের পর ১৯ সেপ্টেম্বর মেলবোর্নে আরেকটি কনসার্ট শেষ করে জেমসের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গিটারের ঝংকার, চেনা গানে সম্মিলিত কণ্ঠ আর মুহুর্মুহু হর্ষধ্বনি—শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টার যেন হয়ে উঠেছিল দুই বাংলার রকপ্রেমীদের মিলনমেলা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর সঙ্গে গলা মেলানোর পাশাপাশি করতালি ও হর্ষধ্বনিতে সাড়া দেন দর্শকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উচ্ছ্বাসে ভরা মিলনায়তনের আবহ হঠাৎই বদলে যায় জেমসের কণ্ঠে প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে ‘মা’ গানটি শুরু হতেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিছুক্ষণ আগেও যাঁরা গানের তালে মেতে ছিলেন, মুহূর্তেই যেন নীরব হয়ে যান তাঁরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবেগঘন গানটির প্রতিটি পঙ্ক্তি গভীর মনোযোগে শোনেন দর্শকেরা; অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে আবেগ।

জনপ্রিয়

সিডনিতে জেমস ও রূপমের কনসার্টে দর্শক মাতালেন দুই বাংলার রক তারকা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সিডনিতে জেমস ও রূপমের কনসার্টে দর্শক মাতালেন দুই বাংলার রক তারকা

আপডেট : ০৮:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টার পরিণত হয়েছিল দুই বাংলার রক সংগীতের এক মিলনমেলায়। নগরবাউল জেমস এবং কলকাতার ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলামকে এক মঞ্চে দেখার অপেক্ষায় থাকা দুই হাজারেরও বেশি প্রবাসী দর্শক এই আয়োজনে শামিল হন। সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের এই কনসার্টটি সংগীতপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মূল পর্বের সূচনা হয়। রাত সাতটার কিছু আগে মঞ্চে ওঠেন রূপম ইসলাম। সোয়া এক ঘণ্টার পরিবেশনায় তিনি ‘হাসনুহানা’, ‘একলা ঘর’ ও ‘অ্যাসিড’-এর মতো প্রায় ১৫টি গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর পরিবেশনার সময় উপস্থিত শ্রোতারা করতালি ও হর্ষধ্বনির মাধ্যমে নিয়মিত সাড়া দিয়েছেন।

রূপমের পরিবেশনা শেষে রাত পৌনে নয়টার দিকে মঞ্চে আসেন জেমস। তাঁর উপস্থিতি মিলনায়তনের দর্শকদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাসের সঞ্চার করে। জেমস কোনো ভূমিকা ছাড়াই সরাসরি গানে ডুব দেন। তিনি ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘মীরাবাঈ’, ‘তারায় তারায়’, ‘সুন্দরীতমা’ এবং হিন্দি গান ‘ভিগি ভিগি’ পরিবেশন করেন। বিশেষ করে ‘মা’ গানটি গাওয়ার সময় পুরো মিলনায়তন এক আবেগঘন স্তব্ধতায় ডুবে যায়। যদিও অনেকে ‘বাবা’ গানটি শোনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত জেমসের জাদুকরী উপস্থিতি ও গানে মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে দর্শকদের মাঝে।

কনসার্টের এক পর্যায়ে বেঙ্গলি সিনে ক্লাবের পক্ষ থেকে সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদের মঞ্চে ডেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়, যাঁদের জেমস নিজেও স্বাগত জানান। সিডনির বাসিন্দা তালাত মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিন পর সিডনিতে এমন গোছানো আয়োজন দেখে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, জেমস যখন ‘তারায় তারায়’ ও ‘ভিগি ভিগি’ গাইছিলেন, তখন পুরো হল এক হয়ে গিয়েছিল। অনিতা বিশ্বাস ও কামরুল হাসানের মতো দর্শকরাও এই কনসার্ট নিয়ে গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

আয়োজক তানিম মান্নান দর্শকদের এমন অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে ভবিষ্যতে আরও এমন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালে ভারতের একটি কনসার্টে এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। সিডনির এই সফল আয়োজনের পর ১৯ সেপ্টেম্বর মেলবোর্নে আরেকটি কনসার্ট শেষ করে জেমসের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গিটারের ঝংকার, চেনা গানে সম্মিলিত কণ্ঠ আর মুহুর্মুহু হর্ষধ্বনি—শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির হিলসং কনভেনশন সেন্টার যেন হয়ে উঠেছিল দুই বাংলার রকপ্রেমীদের মিলনমেলা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর সঙ্গে গলা মেলানোর পাশাপাশি করতালি ও হর্ষধ্বনিতে সাড়া দেন দর্শকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উচ্ছ্বাসে ভরা মিলনায়তনের আবহ হঠাৎই বদলে যায় জেমসের কণ্ঠে প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে ‘মা’ গানটি শুরু হতেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিছুক্ষণ আগেও যাঁরা গানের তালে মেতে ছিলেন, মুহূর্তেই যেন নীরব হয়ে যান তাঁরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবেগঘন গানটির প্রতিটি পঙ্ক্তি গভীর মনোযোগে শোনেন দর্শকেরা; অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে আবেগ।