Hi

০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের ডাকে সাড়া দিবে বিএনপি

ফাইল ছবি

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে বললেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি কোনো বিষয়ে আমাদের আহ্বান জানান আলোচনা করার জন্য, যেকোনো ইস্যুতে আমরা সবসময়ে আলোচনায় আগ্রহী, যাবো।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “কিন্তু অন্য কোনো একটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদের আহ্বান জানানো হচ্ছে কেন? আমরা রাজনৈতিক যোগাযোগ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই রাখি। সেটি এনসিপি হোক, জামায়াতে ইসলামী হোক- সবার সঙ্গে আমরা গণতান্ত্রিক কালচার হিসেবে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং আলাপ-আলোচনার সম্পর্ক রাখবো। কিন্তু কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য রেফারির ভূমিকায় কোনো দলকে আপনারা আহ্বান জানাবেন ইন্ডাইরেক্টলি, এটা বোধহয় সঠিক হচ্ছে না।

তিনি বলেন, “সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমরা মনে করেছিলাম জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রেফারির ভূমিকা পালন করবে। অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য, সেই দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন। অথচ, আপনারা রেফারি হয়ে হাত দিয়ে একটি গোল দিয়ে দিয়েছেন। এখন বলছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ৭ দিনের মধ্যে, নাহলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

বিএনপির এ নেতা বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা কোনো নির্বাচিত সরকার নন, এটা আপনারা যেন সবসময় ইয়াদ (মনে) রাখেন। আপনাদের এমন কোনো ইখতিয়ার নেই, আমাদের ডিক্টেট করার যে, ৭ দিনের মধ্যে আপনারা সিদ্ধান্ত নেন, নাহলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। এত শক্তি প্রদর্শন আপনাদের বোধহয় মানায় না।

তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করার কথা। গণতান্ত্রিকভাবে আপনারা নিরপেক্ষতার সঙ্গে আগামী দিনের একটি সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব যাবতীয় কর্মকাণ্ড করেন, আমরা আপনাদের সমর্থন করেছি, করবো ওই সীমারেখার মধ্যে থেকে। আপনাদের সীমারেখা হচ্ছে যে, আপনারা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠান করবেন। আর যদি মনে করেন, আরেকটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদের আহ্বান করবেন আলোচনার জন্য, তারা কারা?

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, “৭ নভেম্বর দেশকে এমন একটি শিক্ষা দেয়- যখনই প্রয়োজন হবে বাংলাদেশের মানুষ সিপাহী-জনতা, সব শ্রেণি-পেশার আপামর জনসাধারণ দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ সৃষ্টি করবে। সেই প্রতিরোধের মাধ্যমে তারা তাদের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করবে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

সরকারের ডাকে সাড়া দিবে বিএনপি

আপডেট : ১২:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে বললেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি কোনো বিষয়ে আমাদের আহ্বান জানান আলোচনা করার জন্য, যেকোনো ইস্যুতে আমরা সবসময়ে আলোচনায় আগ্রহী, যাবো।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “কিন্তু অন্য কোনো একটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদের আহ্বান জানানো হচ্ছে কেন? আমরা রাজনৈতিক যোগাযোগ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই রাখি। সেটি এনসিপি হোক, জামায়াতে ইসলামী হোক- সবার সঙ্গে আমরা গণতান্ত্রিক কালচার হিসেবে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং আলাপ-আলোচনার সম্পর্ক রাখবো। কিন্তু কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য রেফারির ভূমিকায় কোনো দলকে আপনারা আহ্বান জানাবেন ইন্ডাইরেক্টলি, এটা বোধহয় সঠিক হচ্ছে না।

তিনি বলেন, “সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমরা মনে করেছিলাম জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রেফারির ভূমিকা পালন করবে। অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য, সেই দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন। অথচ, আপনারা রেফারি হয়ে হাত দিয়ে একটি গোল দিয়ে দিয়েছেন। এখন বলছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ৭ দিনের মধ্যে, নাহলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

বিএনপির এ নেতা বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা কোনো নির্বাচিত সরকার নন, এটা আপনারা যেন সবসময় ইয়াদ (মনে) রাখেন। আপনাদের এমন কোনো ইখতিয়ার নেই, আমাদের ডিক্টেট করার যে, ৭ দিনের মধ্যে আপনারা সিদ্ধান্ত নেন, নাহলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। এত শক্তি প্রদর্শন আপনাদের বোধহয় মানায় না।

তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তা করার কথা। গণতান্ত্রিকভাবে আপনারা নিরপেক্ষতার সঙ্গে আগামী দিনের একটি সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব যাবতীয় কর্মকাণ্ড করেন, আমরা আপনাদের সমর্থন করেছি, করবো ওই সীমারেখার মধ্যে থেকে। আপনাদের সীমারেখা হচ্ছে যে, আপনারা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠান করবেন। আর যদি মনে করেন, আরেকটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদের আহ্বান করবেন আলোচনার জন্য, তারা কারা?

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, “৭ নভেম্বর দেশকে এমন একটি শিক্ষা দেয়- যখনই প্রয়োজন হবে বাংলাদেশের মানুষ সিপাহী-জনতা, সব শ্রেণি-পেশার আপামর জনসাধারণ দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ সৃষ্টি করবে। সেই প্রতিরোধের মাধ্যমে তারা তাদের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করবে।