কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার সংসদীয় আসনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি। বৃহস্পতিবার তিনি দলীয় মনোনয়ন নেওয়ার পর এলাকায় চলছে নানা আলোচনা। এদিকে মাত্র দুই দিন আগে কাকতালীয়ভাবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এবং মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সির মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গ্রুপিং দ্বন্দ্ব ভুলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তারা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাই এ আসনে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি হাসনাতের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের অভিমত, বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হলে তা হাসনাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আবার প্রশ্ন উঠেছে বিএনপির গৃহবিবাদ কি বাস্তবে নিরসন হবে? তারা কি দ্বন্দ্ব, বিভেদ ভুলে একই মোহনায় মিলিত হতে পারবে? নাকি এ সবই আই ওয়াশ? বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের তফশিল এবং চূড়ান্ত সময় এলেই বোঝা যাবে বিএনপির দ্বন্দ্ব শীতল হয়েছে নাকি পুরোনো পথেই হাঁটছে।
দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ যিনি পাবেন আমরা তার সঙ্গেই কাজ করব। এটা প্রাথমিক মনোনয়ন। যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে, ধানের শীষের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এবং এএফএম তারেক মুন্সীর মধ্যে আলোচনা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এ আসনে গৃহবিবাদ নিরসন হলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। এনসিপির দেবিদ্বার উপজেলার মুখ্য সমন্বয়কারী জামাল মোহাম্মদ কবির বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে দেবিদ্বারের মানুষ স্বপ্ন দেখছে। তিনি এখানে রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ধারা সৃষ্টি করেছেন। তার বিপরীতে যে-ই প্রার্থী হোক আমরা জনগণের ওপর আস্থাশীল। আগামী নির্বাচনে হাসনাত বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। মনোনয়ন নেওয়ার পর হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, দেবিদ্বারের বাতাস, পানি ও মাটি আমাকে হৃদয় দিয়ে টানে। সব সময় আমার আত্মাটা দেবিদ্বারে থাকে। এখানের সব মানুষ আমার পরম আপনজন। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেবিদ্বারের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।
রিপোর্টার নাম: 













