Hi

০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাস করেনি ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৭ জন।  বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সামছুল আলম ফলাফল ঘোষণা করেন। তবে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করতে পারেনি।

ফলাফল বিবরণীতে জানা যায়, ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। একজনও পাস না করা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৩টি, লক্ষ্ণীপুরের ৩টি, কুমিল্লার ২টি এবং চাঁদপুরের ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্ণীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মবাড়িয়াসহ ৬টি জেলা নিয়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

শতভাগ ফেল করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো-নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিজয়নগর উপজেলার নিদ্রাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চানপুর আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। লক্ষ্ণীপুরের জেলার ৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে-কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যন্ড কলেজ, লক্ষ্ণীপুর সদরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, রামগতি উপজেলার সেবা গ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

কুমিল্লার ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহিত্যশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। চাঁদপুর জেলা থেকে শতভাগ ফেল করা একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি হলো মতলব উত্তরের জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শামছুল আলম বলেন, এবার সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া কিছু কিছু কেন্দ্রের ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব কারণে পাসের হার কমেছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

পাস করেনি ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ

আপডেট : ১০:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৭ জন।  বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সামছুল আলম ফলাফল ঘোষণা করেন। তবে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করতে পারেনি।

ফলাফল বিবরণীতে জানা যায়, ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। একজনও পাস না করা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৩টি, লক্ষ্ণীপুরের ৩টি, কুমিল্লার ২টি এবং চাঁদপুরের ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্ণীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মবাড়িয়াসহ ৬টি জেলা নিয়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

শতভাগ ফেল করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো-নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিজয়নগর উপজেলার নিদ্রাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চানপুর আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। লক্ষ্ণীপুরের জেলার ৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে-কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যন্ড কলেজ, লক্ষ্ণীপুর সদরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, রামগতি উপজেলার সেবা গ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

কুমিল্লার ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহিত্যশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। চাঁদপুর জেলা থেকে শতভাগ ফেল করা একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি হলো মতলব উত্তরের জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শামছুল আলম বলেন, এবার সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া কিছু কিছু কেন্দ্রের ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব কারণে পাসের হার কমেছে।