Hi

১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর মামলায় বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমিন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া জহির কোনা গ্রামের মৃত আ. মোতালেবের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া (৭৩), তার ছোট ভাই খুরশিদ মিয়া (৫২) এবং আঙ্গুর মিয়ার ছোট ভাই মেনু মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৬)। তিন আসামিই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর মিয়া, তার ভাই খুরশিদ মিয়া এবং ভাতিজা সাদেক মিয়া মিলিতভাবে আঙ্গুর মিয়ার মেয়ে মীরা আক্তারকে ছুরি দিয়া বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করিমগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তারা। তদন্তের দায়িত্বে থাকা করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত মামলাটি তদন্ত করে প্রমাণ পান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজ মেয়েকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন আঙ্গুর মিয়া ও তার সহযোগীরা।

এরপর ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআই অলক কুমার দত্ত নিজে বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বুধবার (৬ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় নিহত মীরার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আদালত তাকে খালাস দেন।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ০৩:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মেয়েকে হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর মামলায় বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নুরুল আমিন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া জহির কোনা গ্রামের মৃত আ. মোতালেবের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর মিয়া (৭৩), তার ছোট ভাই খুরশিদ মিয়া (৫২) এবং আঙ্গুর মিয়ার ছোট ভাই মেনু মিয়ার ছেলে সাদেক মিয়া (৩৬)। তিন আসামিই রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর মিয়া, তার ভাই খুরশিদ মিয়া এবং ভাতিজা সাদেক মিয়া মিলিতভাবে আঙ্গুর মিয়ার মেয়ে মীরা আক্তারকে ছুরি দিয়া বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে করিমগঞ্জ থানায় ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তারা। তদন্তের দায়িত্বে থাকা করিমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দত্ত মামলাটি তদন্ত করে প্রমাণ পান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজ মেয়েকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন আঙ্গুর মিয়া ও তার সহযোগীরা।

এরপর ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআই অলক কুমার দত্ত নিজে বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বুধবার (৬ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় নিহত মীরার মা মোছা. নাজমুন্নাহারকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আদালত তাকে খালাস দেন।