Hi

০২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে’—তাপসকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা!

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তৎকালীন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (৩ আগস্ট) সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে এ ফোনালাপ তুলে ধরেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সূচনা বক্তব্যের পর একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

ফোনালাপে শেখ হাসিনাকে স্পষ্ট করেই মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। আন্দোলনকারীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই যেন গুলি করা হয় এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা : দরকার নাই, ওটা দরকার নাই। আমি সেনাপ্রধানের সাথে কথা বলছি, ওরা রেডি থাকবে ঠিক আছে! এখন তো আমরা অন্য ইয়ে করতেছি। ড্রোন দিয়ে ছবি নিচ্ছি আর হেলিকপ্টারে, ইয়ে হচ্ছে মানে, কয়েক জায়গায়।

তাপস : তাহলে ওই কিছু ছবি দেখে পাকড়াও করা যায় না রাতের মধ্যে?

শেখ হাসিনা: সবগুলোকে অ্যারেস্ট করতে বলেছি রাতে।

তাপস: হ্যাঁ, পাকড়াও, পাকড়াও করলে ওদেরকে…

শেখ হাসিনা : না, ওটা বলা হয়ে গেছে, ওটা নিয়ে র‍্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই, সবাইকে বলা হইছে যে যেখান থেকে যে কয়টা পারবা ধইরা ফেলো।

তাপস : জি

শেখ হাসিনা : না, ওটা বলা আছে। আর যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওই ওপর থেকে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি, অলরেডি শুরু হইছে কয়েকটা জায়গায়।

তাপস : জি

শেখ হাসিনা :…হইয়া গেছে।

তাপস : জি, জি, মোহাম্মদপুর থানার দিকে মনে হয় ওরা যাচ্ছে একটা- আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলল।

শেখ হাসিনা : মোহাম্মদপুর থানার দিকে?

তাপস: হ্যাঁ

শেখ হাসিনা : ওখানে পাঠাইয়া দিক র‍্যাবকে

তাপসা : জি, তাহলে আপনার নির্দেশনা লাগবে, উনি এখনো মানে…

শেখ হাসিনা : আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে, ওপেন নির্দেশনা দিয়ে দিছি এখন, এখন লেথাল উইপেন ব্যবহার করবে। যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

‘যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে’—তাপসকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা!

আপডেট : ০৫:৪১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তৎকালীন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (৩ আগস্ট) সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে এ ফোনালাপ তুলে ধরেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সূচনা বক্তব্যের পর একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

ফোনালাপে শেখ হাসিনাকে স্পষ্ট করেই মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। আন্দোলনকারীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই যেন গুলি করা হয় এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা : দরকার নাই, ওটা দরকার নাই। আমি সেনাপ্রধানের সাথে কথা বলছি, ওরা রেডি থাকবে ঠিক আছে! এখন তো আমরা অন্য ইয়ে করতেছি। ড্রোন দিয়ে ছবি নিচ্ছি আর হেলিকপ্টারে, ইয়ে হচ্ছে মানে, কয়েক জায়গায়।

তাপস : তাহলে ওই কিছু ছবি দেখে পাকড়াও করা যায় না রাতের মধ্যে?

শেখ হাসিনা: সবগুলোকে অ্যারেস্ট করতে বলেছি রাতে।

তাপস: হ্যাঁ, পাকড়াও, পাকড়াও করলে ওদেরকে…

শেখ হাসিনা : না, ওটা বলা হয়ে গেছে, ওটা নিয়ে র‍্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই, সবাইকে বলা হইছে যে যেখান থেকে যে কয়টা পারবা ধইরা ফেলো।

তাপস : জি

শেখ হাসিনা : না, ওটা বলা আছে। আর যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওই ওপর থেকে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি, অলরেডি শুরু হইছে কয়েকটা জায়গায়।

তাপস : জি

শেখ হাসিনা :…হইয়া গেছে।

তাপস : জি, জি, মোহাম্মদপুর থানার দিকে মনে হয় ওরা যাচ্ছে একটা- আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলল।

শেখ হাসিনা : মোহাম্মদপুর থানার দিকে?

তাপস: হ্যাঁ

শেখ হাসিনা : ওখানে পাঠাইয়া দিক র‍্যাবকে

তাপসা : জি, তাহলে আপনার নির্দেশনা লাগবে, উনি এখনো মানে…

শেখ হাসিনা : আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে, ওপেন নির্দেশনা দিয়ে দিছি এখন, এখন লেথাল উইপেন ব্যবহার করবে। যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে।