Hi

০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বড় রায়: নির্বাচনের পর আসা ডাকযোগে ব্যালট গণনায় বাধা নেই

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মিসিসিপির একটি বিতর্কিত নির্বাচনী আইন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ডাকযোগে আসা ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি স্বস্তি বয়ে এনেছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি (আরএনসি) এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিবিরের পক্ষ থেকে এই আইনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, নির্বাচনের দিন শেষ হওয়ার পর যেসব ব্যালট ডাকযোগে পৌঁছাবে, সেগুলো গণনা করা আইনসম্মত নয়। তবে সর্বোচ্চ আদালত কোনো ধরনের ব্যাখ্যা ছাড়াই এই আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন, ফলে মিসিসিপিতে নির্বাচনের পরবর্তী কয়েকদিন পর্যন্ত পৌঁছানো বৈধ ব্যালটগুলো গণনার সুযোগ অব্যাহত থাকছে।

এই রায়টি আমেরিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ডাকযোগে ভোটদান বা ‘মেইল-ইন ব্যালট’ নিয়ে চলমান দীর্ঘদিনের বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, নির্বাচনের দিন বা তার আগের দিনের মধ্যে ব্যালট পৌঁছানো নিশ্চিত করা উচিত, অন্যথায় নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট এবং ভোটাধিকার কর্মীরা দীর্ঘকাল ধরে দাবি করে আসছেন যে, ডাক বিভাগের ধীরগতি বা অন্যান্য জটিলতার কারণে ভোটারদের ভোটাধিকার যাতে খর্ব না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া জরুরি।

আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তটি আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ডাকযোগে ভোটদান নিয়ে রিপাবলিকানদের আইনি লড়াইয়ের কৌশলে একটি বড় ধাক্কা। যদিও আদালত কোনো বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ দেননি, তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে মিসিসিপির মতো অঙ্গরাজ্যগুলো তাদের বিদ্যমান নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এর আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে ভোটের সময়সীমা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।

এই রায়ের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতে অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের মেইল-ইন ব্যালট আইনগুলো কীভাবে প্রভাবিত হবে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন মার্কিন নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সুপ্রিম কোর্টের এই হস্তক্ষেপহীন অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, তারা আপাতত অঙ্গরাজ্যগুলোর নিজস্ব নির্বাচনী আইন পরিচালনার স্বায়ত্তশাসনের ওপরই জোর দিচ্ছে।

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা: বেইজিং-এর স্পষ্ট বার্তা, কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বড় রায়: নির্বাচনের পর আসা ডাকযোগে ব্যালট গণনায় বাধা নেই

আপডেট : ১০:০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মিসিসিপির একটি বিতর্কিত নির্বাচনী আইন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ডাকযোগে আসা ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি স্বস্তি বয়ে এনেছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি (আরএনসি) এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিবিরের পক্ষ থেকে এই আইনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, নির্বাচনের দিন শেষ হওয়ার পর যেসব ব্যালট ডাকযোগে পৌঁছাবে, সেগুলো গণনা করা আইনসম্মত নয়। তবে সর্বোচ্চ আদালত কোনো ধরনের ব্যাখ্যা ছাড়াই এই আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন, ফলে মিসিসিপিতে নির্বাচনের পরবর্তী কয়েকদিন পর্যন্ত পৌঁছানো বৈধ ব্যালটগুলো গণনার সুযোগ অব্যাহত থাকছে।

এই রায়টি আমেরিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ডাকযোগে ভোটদান বা ‘মেইল-ইন ব্যালট’ নিয়ে চলমান দীর্ঘদিনের বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, নির্বাচনের দিন বা তার আগের দিনের মধ্যে ব্যালট পৌঁছানো নিশ্চিত করা উচিত, অন্যথায় নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট এবং ভোটাধিকার কর্মীরা দীর্ঘকাল ধরে দাবি করে আসছেন যে, ডাক বিভাগের ধীরগতি বা অন্যান্য জটিলতার কারণে ভোটারদের ভোটাধিকার যাতে খর্ব না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া জরুরি।

আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তটি আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ডাকযোগে ভোটদান নিয়ে রিপাবলিকানদের আইনি লড়াইয়ের কৌশলে একটি বড় ধাক্কা। যদিও আদালত কোনো বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ দেননি, তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে মিসিসিপির মতো অঙ্গরাজ্যগুলো তাদের বিদ্যমান নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এর আগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে ভোটের সময়সীমা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।

এই রায়ের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতে অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের মেইল-ইন ব্যালট আইনগুলো কীভাবে প্রভাবিত হবে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন মার্কিন নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সুপ্রিম কোর্টের এই হস্তক্ষেপহীন অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, তারা আপাতত অঙ্গরাজ্যগুলোর নিজস্ব নির্বাচনী আইন পরিচালনার স্বায়ত্তশাসনের ওপরই জোর দিচ্ছে।