শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পলাশী মোড় এলাকায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশে বসবাসরত মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল নৃগোষ্ঠীর মানুষ তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান কোনো বাধা ছাড়াই পালন করতে পারবেন।
রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সব ধর্মের মানুষের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। তিনি আরও জানান, ধর্মীয় স্বাধীনতা অটুট রাখতে সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয়, উপাসনালয়ের পরিচালনা পর্ষদের স্বাধীনতা এবং নতুন উপাসনালয় স্থাপনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব অধিকার কেবল সংবিধানের পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনেও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তির কঠোর সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেবল একটি ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করত, কিন্তু জনগণ সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ ভেঙে দিয়েছে। তিনি দেশের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতির ভিত্তিতেই আমাদের পরিচয় নির্ধারিত হওয়া উচিত। অর্থাৎ, সবার আগে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয়, এরপর যার যার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কাউকে নিজেদের সংখ্যালঘু মনে করার কোনো কারণ নেই। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, বরং এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবেই সবাইকে নিজেদের পরিচয় দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে সবাইকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে জাতীয়তার প্রশ্নে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক—এটাই হবে মূল পরিচয়।”।
রিপোর্টার নাম: 






















