Hi

০১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস গড়লো জাপান

  • ডেস্ক সংবাদ
  • আপডেট : ১০:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৫ জন দেখেছে

ম্যাচটাই ছিল বড় মাইলফলকের। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে নেমে ইতিহাসগড়া জয় পেয়েছে জাপান। সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবার এত বড় (৪-০) ব্যবধানে জিতে তারা তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে ৪টি গোল করল সামুরাই ব্লুরা। এর আগে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র দিয়ে জাপান এবারের আসর শুরু করেছিল। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে বড় জয় তাদের টানা চতুর্থবারের মতো নকআউট পর্বের দিকে একধাপ এগিয়ে দিলো।

এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি গোল করতে পারেনি জাপান। গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবলে সহজ জয় পেল তারা। আর উদ্বোধনী ম্যাচের পর কোচ বরখাস্ত করার নজির গড়া তিউনিসিয়া কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। জাপানের হয়ে জোড়া গোল করেন আয়াসে উয়েদা। এ ছাড়া দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতো একটি করে গোল করেন।

এই জয়ে জাপান চার পয়েন্ট নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সমান অবস্থানে রয়েছে। তবে দুই ম্যাচে এক গোল বেশি করায় গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে ডাচরা। সমান ম্যাচ খেলে সুইডেন ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে। মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরেইয়ে অনুষ্ঠিত ১০০০তম ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। যা বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের দ্রুততম গোল। কেইতো নাকামুরার ক্রসে দাইচি কামাদা নিকটদূরত্ব থেকে বল জালে পাঠান।

যা চলমান আসরে তার দ্বিতীয় গোল। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড দূর থেকে বাঁকানো শটে জালের কাঁপান। উয়েদা ক্লাব পর্যায়েও দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। ফেইনুর্দের হয়ে ২৪ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতা এই ফুটবলার দ্বিতীয়বার স্কোরশিটে নাম তোলেন ৮৩ মিনিটে। তার নিখুঁত লুপিং হেডে আসে জাপানের ঐতিহাসিক চতুর্থ গোল।

এর আগে ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। উয়েদার চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে তিনি তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আইমেন দাহমেনকে ঠান্ডা মাথায় ফাঁকি দিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে লজ্জাজনক হারের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’বারের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস জয়ী কোচ হার্ভে রেনার্দকে দায়িত্ব দিয়েছিল তিউনিসিয়া। কিন্তু উত্তর আফ্রিকার দলটি জাপানের দ্রুতগতির আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি, আবার নিজেরাও উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

ইতিহাস গড়লো জাপান

আপডেট : ১০:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ম্যাচটাই ছিল বড় মাইলফলকের। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে নেমে ইতিহাসগড়া জয় পেয়েছে জাপান। সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবার এত বড় (৪-০) ব্যবধানে জিতে তারা তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে ৪টি গোল করল সামুরাই ব্লুরা। এর আগে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র দিয়ে জাপান এবারের আসর শুরু করেছিল। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে বড় জয় তাদের টানা চতুর্থবারের মতো নকআউট পর্বের দিকে একধাপ এগিয়ে দিলো।

এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি গোল করতে পারেনি জাপান। গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবলে সহজ জয় পেল তারা। আর উদ্বোধনী ম্যাচের পর কোচ বরখাস্ত করার নজির গড়া তিউনিসিয়া কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। জাপানের হয়ে জোড়া গোল করেন আয়াসে উয়েদা। এ ছাড়া দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতো একটি করে গোল করেন।

এই জয়ে জাপান চার পয়েন্ট নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সমান অবস্থানে রয়েছে। তবে দুই ম্যাচে এক গোল বেশি করায় গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে ডাচরা। সমান ম্যাচ খেলে সুইডেন ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে। মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরেইয়ে অনুষ্ঠিত ১০০০তম ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। যা বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের দ্রুততম গোল। কেইতো নাকামুরার ক্রসে দাইচি কামাদা নিকটদূরত্ব থেকে বল জালে পাঠান।

যা চলমান আসরে তার দ্বিতীয় গোল। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড দূর থেকে বাঁকানো শটে জালের কাঁপান। উয়েদা ক্লাব পর্যায়েও দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। ফেইনুর্দের হয়ে ২৪ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতা এই ফুটবলার দ্বিতীয়বার স্কোরশিটে নাম তোলেন ৮৩ মিনিটে। তার নিখুঁত লুপিং হেডে আসে জাপানের ঐতিহাসিক চতুর্থ গোল।

এর আগে ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। উয়েদার চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে তিনি তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আইমেন দাহমেনকে ঠান্ডা মাথায় ফাঁকি দিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে লজ্জাজনক হারের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’বারের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস জয়ী কোচ হার্ভে রেনার্দকে দায়িত্ব দিয়েছিল তিউনিসিয়া। কিন্তু উত্তর আফ্রিকার দলটি জাপানের দ্রুতগতির আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি, আবার নিজেরাও উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।