গায়ে পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি—বাহ্যিকভাবে ধর্মীয় ভাবমূর্তির আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক চাঞ্চল্যকর অপকর্মের জাল। রাজধানীর মিরপুর এলাকায় এমনই একটি চক্রের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, শহীদ নামের এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জড়িয়ে পড়েছেন বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে। বিশেষ করে তার মেয়েকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই বিতর্ক। অভিযোগ রয়েছে, তার মেয়ের জামাই খুরশিদ এবং তার স্ত্রী চাঁদনী—দু’জনে মিলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তরুণদের টার্গেট করে এক ধরনের ফাঁদ পেতে অর্থ আদায় ও মানসিক হয়রানি করে আসছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তারা প্রথমে পরিচিতি গড়ে তোলে, এরপর ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের জালে ফেলে মোটা অংকের টাকা আদায় করে। টাকা না দিলে শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল ও হুমকি।
সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, এই চক্রের সঙ্গে মোহাম্মদ হীরা নামের আরেক ব্যক্তি জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, হীরা এই চক্রকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছে এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। এমনকি, অতীতে একাধিকবার আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পরও সে এসব কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসেনি।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, খুরশিদ, চাঁদনী এবং হীরা—তিনজন মিলে একটি সংগঠিত চক্র হিসেবে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই—মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষকে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শহীদের রয়েছে মিরপুর-১০ এলাকার বাইতুল সালাত জামে মসজিদের নিচে মার্কেটে শাড়ির ব্যবসা। তবে সাধারণ একজন ব্যবসায়ীর এমন আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন—কীভাবে তার ছয়তলা ফ্ল্যাট এবং ক্যাম্প এলাকায় একাধিক রুমের মালিকানা সম্ভব হলো?
সবশেষে, ভুক্তভোগীদের একটাই দাবি এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
মোঃ আরশ রহমান 











