Hi

০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যবহৃত মোবাইল বিক্রি বা হস্তান্তরের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে বলে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নির্দেশনাটি ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ (এনইআইআর) সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর জারি করা হয়েছে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম দেশে পূর্ণরূপে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। কমিশন জানায়, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চোরাই ও অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন, হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে অবমুক্ত করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট [neir.btrc.gov.bd](https://neir.btrc.gov.bd) থেকে পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে বিটিআরসির কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া সম্ভব।

বিটিআরসির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের মোবাইল ফোন নিরাপদে হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারবে, একই সঙ্গে অবৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এনইআইআর সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম দেশের মোবাইল ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করবে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

ব্যবহৃত মোবাইল বিক্রি বা হস্তান্তরের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

আপডেট : ০১:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে বলে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নির্দেশনাটি ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ (এনইআইআর) সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর জারি করা হয়েছে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম দেশে পূর্ণরূপে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। কমিশন জানায়, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চোরাই ও অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন, হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে অবমুক্ত করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট [neir.btrc.gov.bd](https://neir.btrc.gov.bd) থেকে পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে বিটিআরসির কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া সম্ভব।

বিটিআরসির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের মোবাইল ফোন নিরাপদে হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারবে, একই সঙ্গে অবৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এনইআইআর সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম দেশের মোবাইল ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করবে।