Hi

০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জোটে এনসিপি ও এলডিপি

নির্বাচনী সমঝোতার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হলো জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে। সমমনা আট দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি দল, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি ও কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি। এর ফলে এই নির্বাচনী জোটের শরিক দলের সংখ্যা দাঁড়াল দশে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা আটটি দল একসঙ্গে কাজ করছিলাম। এখন আমাদের সঙ্গে আরও দুটি দল যুক্ত হয়েছে। এনসিপি ও এলডিপি আমাদের এই সমঝোতায় এসেছে।”

জামায়াত আমির জানান, এনসিপির সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেই তাদের বৈঠক শেষ হয়েছে। সময় ও সুযোগের কারণে এনসিপির প্রতিনিধিরা ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে দলটি আলাদাভাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি আরও জানান, এলডিপি ও এনসিপিকে নিয়ে এই জোটের আসন সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি আসন সমঝোতার আলোচনা শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এনসিপি ও এলডিপি যুক্ত হলো।

সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। এ সময় কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বীর বিক্রম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন, খেলাফত মজলিসের নেতারা ও জাগপার শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে এনসিপির কোনো নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

জোটে এনসিপি ও এলডিপি

আপডেট : ১১:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচনী সমঝোতার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হলো জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে। সমমনা আট দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি দল, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি ও কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি। এর ফলে এই নির্বাচনী জোটের শরিক দলের সংখ্যা দাঁড়াল দশে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা আটটি দল একসঙ্গে কাজ করছিলাম। এখন আমাদের সঙ্গে আরও দুটি দল যুক্ত হয়েছে। এনসিপি ও এলডিপি আমাদের এই সমঝোতায় এসেছে।”

জামায়াত আমির জানান, এনসিপির সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেই তাদের বৈঠক শেষ হয়েছে। সময় ও সুযোগের কারণে এনসিপির প্রতিনিধিরা ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে দলটি আলাদাভাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি আরও জানান, এলডিপি ও এনসিপিকে নিয়ে এই জোটের আসন সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি আসন সমঝোতার আলোচনা শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এনসিপি ও এলডিপি যুক্ত হলো।

সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। এ সময় কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বীর বিক্রম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন, খেলাফত মজলিসের নেতারা ও জাগপার শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে এনসিপির কোনো নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।