Hi

০১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি আমাদের সঙ্গে বসবে না

গণভোট বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ। তবে বিষয়ে বিএনপি আলোচনায় বসতে রাজি নয়-এমনটাই জানিয়েছেন হামিদুর রহমান।

রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে শনিবার দুপুরে এক ডায়লগে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ বললেন, “আমরা বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। তারা বলেছে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। আমরা যেকোন সময় আলোচনায় বসতে রাজি আছি। প্রয়োজনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসতে উদ্বুদ্ধ করবো।

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে মানুষের ফোকাস থাকে দল, প্রার্থী কেন্দ্রীক। আমাদের দেশে ভোটকেন্দ্র দখল হয়। দুটো ভোট দিতে গেলে টাইম ম্যানেজমেন্ট হবে না, ভোট কাস্টিং কম হবে। পরে আবার বলবে জনগণ জুলাই চার্টারের পক্ষে রায় দেয় নাই।

‘জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু কীভাবে বাস্তবায়ন হবে এটি স্বাক্ষরিত হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যখন সরকারের কাছে সুপারিশ করলো তখন বিরোধ তৈরি হলো’-উল্লেখ করেন জামায়াতের এ নেতা।

তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী আমলের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এখনো আছে। এখন জনগণের আস্থা নেই। আগে গণভোট হলে জাতীয় নির্বাচনে জনগণের আস্থা তৈরি হবে। এতে নির্বাচনটা ভালো হবে। ডেমোক্রেসিতে আলোচনা এবং রাজপথে ভয়েস রেইস করা-এই দুটোই চলে। আমরা তো ভায়োলেন্স করছি না’-যোগ করেন তিনি।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

বিএনপি আমাদের সঙ্গে বসবে না

আপডেট : ১২:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

গণভোট বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ। তবে বিষয়ে বিএনপি আলোচনায় বসতে রাজি নয়-এমনটাই জানিয়েছেন হামিদুর রহমান।

রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে শনিবার দুপুরে এক ডায়লগে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ বললেন, “আমরা বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। তারা বলেছে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। আমরা যেকোন সময় আলোচনায় বসতে রাজি আছি। প্রয়োজনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসতে উদ্বুদ্ধ করবো।

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে মানুষের ফোকাস থাকে দল, প্রার্থী কেন্দ্রীক। আমাদের দেশে ভোটকেন্দ্র দখল হয়। দুটো ভোট দিতে গেলে টাইম ম্যানেজমেন্ট হবে না, ভোট কাস্টিং কম হবে। পরে আবার বলবে জনগণ জুলাই চার্টারের পক্ষে রায় দেয় নাই।

‘জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু কীভাবে বাস্তবায়ন হবে এটি স্বাক্ষরিত হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যখন সরকারের কাছে সুপারিশ করলো তখন বিরোধ তৈরি হলো’-উল্লেখ করেন জামায়াতের এ নেতা।

তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী আমলের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এখনো আছে। এখন জনগণের আস্থা নেই। আগে গণভোট হলে জাতীয় নির্বাচনে জনগণের আস্থা তৈরি হবে। এতে নির্বাচনটা ভালো হবে। ডেমোক্রেসিতে আলোচনা এবং রাজপথে ভয়েস রেইস করা-এই দুটোই চলে। আমরা তো ভায়োলেন্স করছি না’-যোগ করেন তিনি।