Hi

০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিঁড়িতে ছাত্রদল নেতার রক্তাক্ত লাশ

পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলির একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ হোসাইনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

ওসি জানান, নিহত জুবায়েদ ওই ভবনেই টিউশন করাতে যেতেন। সেখানকার বাসার সিঁড়িতেই তার মরদেহ পাওয়া যায়। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়, তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সভাপতি ছিলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “মৃত্যুর খবর শুনেছি। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। পুলিশকে ইতোমধ্যে সব সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছি। আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।”

ঘটনার পর আরমানিটোলার ওই ভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে আসে।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

সিঁড়িতে ছাত্রদল নেতার রক্তাক্ত লাশ

আপডেট : ১১:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলির একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ হোসাইনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

ওসি জানান, নিহত জুবায়েদ ওই ভবনেই টিউশন করাতে যেতেন। সেখানকার বাসার সিঁড়িতেই তার মরদেহ পাওয়া যায়। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়, তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সভাপতি ছিলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “মৃত্যুর খবর শুনেছি। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। পুলিশকে ইতোমধ্যে সব সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছি। আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।”

ঘটনার পর আরমানিটোলার ওই ভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে আসে।