ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির জব্দ থাকা সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন কোনো ধরনের প্রস্তাব দেয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
এর আগে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে আগ্রহী। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এবং তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক জনমত তৈরিতে এই ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছিল যে, চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ওয়াশিংটন কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিশ্চয়তা চাইছে। যদিও ট্রাম্পের দাবি, এ ধরণের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব ইরানের কাছে পাঠানো হয়নি।
এদিকে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কাতারসহ বেশ কিছু মধ্যস্থতাকারী দেশ যুদ্ধের সমাপ্তি এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে অ্যাক্সিওসের দাবি এবং ট্রাম্পের বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের অমিল দেখা দিয়েছে।