সংবাদ শিরোনাম ও সারসংক্ষেপ
- জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: বাসভাড়া কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব
- ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৫৫
- ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিলের দুধ খেয়ে ৩৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
- কর্মস্থলে অনুপস্থিত পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরখাস্ত
- গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সংসদকে আগে পদক্ষেপ নিতে হবে: ইসি সচিব
- ঠাকুরগাঁও সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলি, বাংলাদেশি যুবক নিহত
- উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার ৫০ মেগাওয়াটের ইউনিট
- ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ জনের আমৃত্যু, ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরবরাহ করা মিড ডে মিলের দুধ পান করে ৩৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুর থেকে অসুস্থ এসব শিশুকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. আহাদুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অনেকেই বমি ও পেটের পীড়ায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার আশঙ্কা থেকে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২২ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং আরও চারজনকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বাকি নয়জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১৩৮টি বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের প্রতি সোমবার মিড ডে মিল হিসেবে বনরুটির সঙ্গে ২০০ মিলিলিটার ইউএইচটি দুধ দেওয়া হয়। মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুপুরের দিকে দুধ খাওয়ার পরই অসুস্থ হতে শুরু করে। ওই বিদ্যালয়ের ২৮ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও তিন শিক্ষার্থী এবং বিকেলে আরও চার শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে। মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার জানায়, দুধটি খেতে তেতো ছিল এবং খাওয়ার পরই তাদের পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহিল সাফি জানান, প্যাকেটজাত দুধ হওয়ায় এর ভেতরের মান বোঝা সম্ভব ছিল না।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অতুল চন্দ্র রায় জানান, এই দুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো রংপুর ডেইরি ফুড অ্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার দাস জানিয়েছেন, পরীক্ষার জন্য সরবরাহকৃত খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে দুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রংপুর ডেইরি ফুড অ্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর জাকারিয়া আমান দাবি করেছেন যে, অতীতে কখনোই দুধের মান নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তার মতে, খালি পেটে দুধ খাওয়ার ফলে কারও কারও বমি ভাব হতে পারে এবং একজন অসুস্থ হওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ বোধ করতে পারে। উল্লেখ্য, এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ও বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট উৎপাদনে ফেরার ঘটনাও আলোচনায় রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই বিদ্যালয়ের ২৮ শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্যার ও ম্যামকে জানালে তারা বলেন, খেয়ে নাও, কিছু হবে না।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্যাকেট করা দুধের স্বাদ কেমন যেন তেতো লাগছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরীক্ষার জন্য সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।’।