আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল সরাসরি অংশগ্রহণ করছে না এবং এই নির্বাচন সম্পূর্ণ ব্যক্তিভিত্তিক হতে যাচ্ছে বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সে সময় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার শীর্ষ পদগুলোতে দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও এবার তা হচ্ছে না। আগামী নির্বাচনে প্রার্থীরা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, ফলে কার কী রাজনৈতিক পরিচয় সেটি আর মুখ্য বিবেচিত হবে না। উন্মুক্ত উপায়ে প্রতিযোগিতার চমৎকার সুযোগ থাকায় এই নির্বাচন অত্যন্ত অংশগ্রহণমূলক হতে বাধ্য এবং অতীতে হারিয়ে যাওয়া সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ আবারও ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
একই সংবাদ সম্মেলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের মনোভাব তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে দেশের মাটিতে বিচারের মুখোমুখি করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই লক্ষ্যে ভারতের কাছে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও কার্যকর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে নয়াদিল্লিকে শেখ হাসিনার ব্যাপারে তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। সম্প্রতি ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই প্রসঙ্গগুলো বিশদভাবে উত্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিষয়ে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে ভারতকে এই স্পর্শকাতর বিষয়গুলো অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারত সরকারকে এ বিষয়ে বারবারই আহ্বান জানানো হয়েছে।