নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়রাখালী গ্রামে রোববার বিকেলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সাত বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুর নাম আরাফ, সে ওই গ্রামের হৃদয় মিয়ার ছেলে। মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গ্রামের একটি বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে শিশুটি ওই সাঁকো পার হচ্ছিল। এ সময় সাঁকোর একটি বাঁশ হঠাৎ ভেঙে গেলে ভারসাম্য হারিয়ে সে পানিতে পড়ে যায়। মায়ের চোখের সামনেই শিশুটি পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। শিশুটি সাঁকো পার হওয়ার সময় তার মা কাছেই ছিলেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, আরাফের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামাঞ্চলের অনেক স্থানে এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চলাচল করতে হয়। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এসব সাঁকো এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কয়রাখালী গ্রামের বাসিন্দারা অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি সংস্কার অথবা সেখানে স্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ছেলেকে উদ্ধারে স্বজন ও স্থানীয়রা ছুটে এলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি আরাফকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়রাখালী গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সময় শিশুটির মা কাছেই দাঁড়িয়ে ছেলের সাঁকো পার হওয়া দেখছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পানিতে পড়ার শব্দ শুনে তাঁর মা দ্রুত বেরিয়ে এসে দেখতে পান, ছেলে পানিতে ডুবে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর তাঁর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ছুটে আসেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা।