ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) নতুন ইতিহাস গড়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের হয়ে সেন্ট লুসিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৩৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে টুর্নামেন্টের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তিনি। এই বিধ্বংসী ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ১২১ রানে অপরাজিত ছিলেন এই লঙ্কান তারকা।

শানাকার এই ইনিংসটি ভেঙে দিয়েছে আন্দ্রে রাসেল, শিমরন হেটমায়ার ও টিম সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড। ২০১৮ সালে রাসেল এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন, আর গত বছর একই দিনে সাইফার্ট ও হেটমায়ার ৪০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সিপিএলের ইতিহাসে ক্রিস গেইলের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল ২০১৬ সালে ৪৯ বলে এবং কাইরন পোলার্ডের ৫৩ বলে, যা ২০১৮ সালে করেছিলেন।

তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সামগ্রিক দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় শানাকা এখনো বেশ পেছনে। এই তালিকার শীর্ষে আছেন এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান, যিনি ২০২৪ সালে সাইপ্রাসের বিপক্ষে মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এছাড়া ২০২৪ সালে সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে ভারতের উর্বিল প্যাটেল ও অভিষেক শর্মা যৌথভাবে ২৮ বলে সেঞ্চুরি করেছেন। তুরস্কের মোহাম্মদ ফাহাদ গত বছর বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এছাড়া ২০১৩ সালের আইপিএলে ৬৬ বলে অপরাজিত ১৭৫ রানের ইনিংস খেলার পথে ক্রিস গেইল ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।

শানাকার জন্য ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করার অভিজ্ঞতা নতুন নয়। এর আগে ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে তিনি ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। একই বছর তিনি ৪০ বলে সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি ৪৮ বলে ১৩১ রানের একটি অপরাজিত ইনিংসও খেলেছিলেন, যা টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

উল্লেখ্য যে, শানাকার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের দিনে একটি বলের জন্য ১০০ কিলোমিটারের ‘রানআপ’ নেওয়ার মতো অদ্ভুত ঘটনাও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সব মিলিয়ে সিপিএলের ইতিহাসে নতুন উচ্চতায় নাম লেখালেন এই লঙ্কান ক্রিকেটার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই বছর তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ৪০ বলে সেঞ্চুরিও। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেই ম্যাচে ৪৮ বলে ১৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেওয়া এই ক্রিকেটার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাকিস্তান ক্রিকেট: পাঁচ বছরের ‘বাজনা’য় ১১ কোচ বদল।