প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ
- নির্মাণ ব্যয়: ২৭ হাজার ৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা
- প্রকল্পের অগ্রগতি: জুলাই পর্যন্ত ৭২ শতাংশ
- সেতুর দৈর্ঘ্য: প্রতিটি ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার (দুই লেনবিশিষ্ট)
- ব্যয় বৃদ্ধি: দ্বিতীয় সংশোধনীতে ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বুধবার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন। তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্য নিয়ে নির্মিত এই সেতুগুলো এখন থেকে সাধারণ যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যানজটমুক্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পটি এক সময় স্থবির হয়ে পড়েছিল, তবে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছে। প্রকল্পের মান বজায় রেখে গত ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে নতুন এই সার্ভিস সেতুগুলো ব্যবহার করে কোনো প্রকার টোল ছাড়াই যানবাহন তুরাগ নদ পার হতে পারবে। প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, এক্সপ্রেসওয়ের মূল চার লেনের জন্য টোল নির্ধারিত থাকলেও, আজ চালু হওয়া সার্ভিস সেতুগুলোতে চলাচলের জন্য কোনো টোল দিতে হবে না।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন চালকরা এই সেতু চালুর ফলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। আকাশ মিয়া নামে এক প্রাইভেটকার চালক জানান, আগে এই পথে দীর্ঘ যানজট পোহাতে হতো, এখন দ্রুত যাতায়াত সম্ভব হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার আশা প্রকাশ করেন, পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এলাকার সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
উল্লেখ্য, ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় রাজধানীর প্রবেশদ্বার আশুলিয়া হয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য। ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। নানা জটিলতায় শুরুতে ধীরগতি থাকলেও বর্তমানে কাজের গতি বেড়েছে। সংশোধিত প্রকল্পে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ এবং বাইপাইলে তিনতলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ‘ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ’ নির্মাণের পরিকল্পনা যুক্ত হয়েছে।
ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের আরও একটি বড় অংশ চালু করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী এক বছরের মধ্যে মূল প্রকল্পের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে নিয়ে আসার পাশাপাশি সংশোধিত প্রকল্পের এক্সটেনশন কাজগুলোও দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিএমসি প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের। চাকরির আরও তথ্য: একইসঙ্গে ঢাকার চারপাশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমের যোগাযোগব্যবস্থায় নগরের অ্যাট-গ্রেড সড়ক ব্যবহার না করেই এলিভেটেড ওয়ের মাধ্যমে পারাপারের সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, আমার জানা এবং দেখা মতে, যত প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে চলেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রী বলেন, আমি খুশি হয়েছি এই প্রকল্পের মান এবং এর বাস্তবায়নের তড়িৎগতিতে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মক্কা প্রতিরক্ষা জোট: ভারতীয় গণমাধ্যমে যত বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে ৭১ কোটি টাকার সরকারি কাজ।
- প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: থাইল্যান্ডে ভিড়ল আব্রাহাম লিংকন: নাবিকরা যা করতে পারবেন, যা পারবেন না।
- চাকরির আরও তথ্য: পে-স্কেল / ১৯৭৩ সালে ১৩০ টাকা দিয়ে শুরু, সর্বনিম্ন মূল বেতন এখন ২০ হাজার।