ইংল্যান্ডের পেশাদার ফুটবলার অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড খাদিজা শ। গত মে মাসে ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষসেরার খেতাব জেতার পর এবার পিএফএর স্বীকৃতিও পেলেন এই দুই তারকা।

২০১০ সালে ওয়েইন রুনির পর প্রথম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড খেলোয়াড় হিসেবে পিএফএ বর্ষসেরা ট্রফি জিতলেন ফার্নান্দেজ। গত ২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭ ম্যাচে ২২টি গোল করানোর পাশাপাশি নিজে ৯টি গোল করেছেন এই পর্তুগিজ তারকা। বিশেষ করে প্রিমিয়ার লিগে ২১টি গোল বানিয়ে তিনি নতুন রেকর্ড গড়েছেন, যা থিয়েরি অঁরি ও কেভিন ডি ব্রুইনার মতো তারকাদের ছাড়িয়ে গেছে। তার নৈপুণ্যে মৌসুমের শুরুতে ধুঁকতে থাকা ইউনাইটেড শেষ পর্যন্ত লিগে তৃতীয় স্থান অর্জন করে চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিট নিশ্চিত করে।

পুরস্কার গ্রহণের সময় ফার্নান্দেজ বলেন, এটি তার জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। তিনি জানান, যাদের বিপক্ষে মাঠে লড়াই করতে হয়, তাদের কাছ থেকে ভোট পাওয়া সহজ নয়, তাই এই স্বীকৃতিটি তার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, দাভিদ রায়া, ডেক্লান রাইস, রায়ান শেরকি ও আর্লিং হলান্ডকে পেছনে ফেলে তিনি এই ট্রফি জিতেছেন। এর আগে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এই পুরস্কার জেতায় ফার্নান্দেজ হলেন দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফুটবলার যিনি এই সম্মান পেলেন।

মেয়েদের বিভাগে ম্যানচেস্টার সিটিকে লিগ জেতানো খাদিজা শ গত তিন মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো পিএফএ বর্ষসেরা নির্বাচিত হলেন। গত মৌসুমে উইমেনস সুপার লিগে (ডব্লিউএসএল) সর্বোচ্চ ২১ গোল করে তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জয়ের কৃতিত্বও দেখিয়েছেন।

তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার নিকো ও’রাইলি ছেলেদের বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের ট্রফি জিতেছেন। লিগে ৩৪ ম্যাচে ৯টি ক্লিন শিট রাখা ও আটটি গোলে অবদান রাখা ও’রাইলি লিগ কাপ ফাইনালে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। অন্যদিকে, আর্সেনাল ফরোয়ার্ড অলিভিয়া স্মিথ মেয়েদের বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার ধরে রেখেছেন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির লরেন হেম্পের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একাধিকবার এই ট্রফি জয়ের নজির গড়লেন।

পিএফএর ছেলেদের বর্ষসেরা একাদশে আর্সেনাল থেকে জায়গা পেয়েছেন পাঁচজন—দাভিদ রায়া, গ্যাব্রিয়েল, উইলিয়াস সালিবা, জুরিয়েন টিম্বার ও ডেক্লান রাইস। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে আছেন চারজন—আর্লিং হলান্ড, রায়ান শেরকি, আন্তোনিও সেমেনিও ও নিকো ও’রাইলি। একাদশের বাকি দুটি জায়গা পেয়েছেন ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং ব্রেন্টফোর্ডের ইগর থিয়াগো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭ ম্যাচে ২২ গোল করানোর পাশাপাশি ৯ গোল করেন ফার্নান্দেজ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্পোর্তিং লিসবন থেকে ২০২০ সালে ইউনাইটেডে যোগ দেওয়া এ মিডফিল্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, দাভিদ রায়া, ডেক্লান রাইস, রায়ান শেরকি ও আর্লিং হলান্ডকে পেছনে ফেলে বর্ষসেরার ট্রফিটি জিতলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাজে শুরুর পর ফার্নান্দেজের হাত ধরেই মৌসুম শেষে লিগে তৃতীয় হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার টিকিট পেয়ে যায় ইউনাইটেড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফুটবল ক্লাবের মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে ঘুরে দাঁড়াল ১০ জনের আল নাসর।