ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের উদ্বোধনী দিনে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ৫৮ জন গুণী শিল্পী ও কলাকুশলীকে সম্মাননা জানানো হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য উৎসবের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের শ্রম ও মেধা দিয়ে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে সমৃদ্ধ করা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং ডিএসসিসির প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। এ ছাড়া অভিনেত্রী দিলারা জামান, আবদুল আজিজ, মধুমিতা সিনেমা হলের কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ ও সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তরসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননাপ্রাপ্ত জীবিত গুণীজনদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী সুজাতা, সুচন্দা, আনোয়ারা, ববিতা, নূতন, চম্পা ও শাবনাজ। অভিনেতাদের মধ্যে উজ্জ্বল, সোহেল রানা, আলমগীর, খাজা নাঈম মুরাদ ও আজাদ রহমান শাকিলকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া সংগীত ও চিত্রগ্রহণে অবদানের জন্য খুরশিদ আলম, আবিদা সুলতানা, শেখ সাদী খান, শওকত আলী ইমন, রেজা লতিফ ও শফিকুল ইসলাম স্বপন এবং গীতিকার মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান মনিরকে সম্মানিত করা হয়েছে।
পরিচালনায় অবদানের জন্য ছটকু আহমেদ, হাফিজ উদ্দীন, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মতিন রহমান, সাইদুর রহমান সাঈদ ও আওকাত হোসেনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য চিন্ময় মুৎসুদ্দী, রফিকুজ্জামান, অনুপম হায়াৎ, মাহমুদা চৌধুরী ও আবদুর রহমানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন কিংবদন্তি পরিচালক আবদুল জব্বার খান, নাজির আহমেদ, খান আতাউর রহমান, জহির রায়হান, এহতেশাম, মুস্তাফিজ, আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত, দিলীপ বিশ্বাস ও চাষী নজরুল ইসলাম। অভিনেতাদের মধ্যে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয় আবদুল মতিন, খলিল উল্লাহ খান, নায়করাজ রাজ্জাক, রোজী আফসারী, খান জয়নুল, প্রবীর মিত্র ও বুলবুল আহমেদকে।
এ ছাড়া মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সংগীত পরিচালক আনোয়ার পারভেজ ও আলাউদ্দীন আলী, সংগীতশিল্পী আজম খান ও এন্ড্রু কিশোর এবং চিত্রগ্রাহক আফজাল চৌধুরী ও এম এ সামাদ।
চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য রক্ষায় লায়ন সিনেমা হল, আজাদ সিনেমা হল ও মধুমিতা সিনেমা হলকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। উৎসবের অংশ হিসেবে রাজধানীর মধুমিতা সিনেমা হলে দর্শকদের জন্য দেশের স্মরণীয় ১৩টি সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী চলছে। উৎসবের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ প্রদর্শিত হয়েছে।
উৎসবের শেষ দিন ২৮ আগস্ট বিকেল ৩টায় ‘দোস্ত দুশমন’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ‘বধূ বিদায়’ সিনেমা দুটি প্রদর্শিত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুরে ৪ জনকে হত্যা: পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রিসভায় রদবদলের পেছনে ‘পারফরম্যান্স মূল্যায়ন’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জানালা দিয়ে চিৎকার করছিল ২ শিশু, ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাকার চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য মানুষের শ্রম, মেধা ও সৃষ্টিশীলতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিনয়, পরিচালনা, সংগীত, চিত্রগ্রহণ কিংবা চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় যাদের অবদান সমৃদ্ধ করেছে দেশের সিনেমাকে, তাদের অনেককেই এবার সম্মান জানানো হলো।